বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বর্ণাঢ্য বিদায় সংবর্ধনা

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বর্ণাঢ্য বিদায় সংবর্ধনা

পাঁচজন বিদায়ী অতিথির হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দরা।

​চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও দক্ষ পাঁচজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সোহেল রানা ও আরএমও ডা. মোঃ জাহিদ হোসাইনের সঞ্চালনায় বিদায়ী কর্মকর্তাদের কর্মজীবনের নানা স্মৃতি চারণ করেন এবং জনস্বাস্থ্যে তাঁদের নিবেদিত সেবার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

​সংবর্ধিত বিদায়ী অতিথিবৃন্দরা তাঁরা হলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (চর্ম ও যৌন) ডা. মো. রেজাউল করিম জিগাউরী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক যদু ভূষণ মজুমদার, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক হাছিনা মজুমদার, স্বাস্থ্য সহকারী মো. জুলহাস মিয়া এবং কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ সহকারী মো. আবু ইউসুফ।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, সরকারি চাকুরিতে অবসর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের বিদায় দেওয়া অত্যন্ত কষ্টের। ডা. রেজাউল করিমসহ আজ যারা বিদায় নিচ্ছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই কচুয়াবাসীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করেছেন। তাঁদের সততা ও কর্মনিষ্ঠা আমাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা তাঁদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

Model Hospital

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদায়ী অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর একে একে সহকর্মীরা তাঁদের সাথে কাটানো দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। বিদায়ী অতিথিরাও তাঁদের বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে সবার সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

​উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইএনটি) ডা. এ এইচ এম ফেদৌস নুর,

জুনিয়র কনসালটেন্ট ( কার্ডিও) ড. মোঃ হুমায়ন কবির, সহকারি সার্জন ড.  ফাহিম রায়হান ও  ড. তাছনুবা মরিয়ম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে পাঁচজন বিদায়ী অতিথির হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।