বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ড. জালাল উদ্দিন এমপির পরিদর্শন

ছেঙ্গারচর বাজারে অগ্নিকান্ডে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
ছেঙ্গারচর বাজারে অগ্নিকান্ডে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা ছেংগারচর বাজারের হাজী মার্কেট আল ওয়াফা ইলেকট্রনিক্স মার্সেল এক্সক্লুসিভ শোরুমে অগ্নিকান্ডে ১টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছ বলে ভয়াভহ ক্ষতি গ্রস্তব্যবসায়ী হাজী মোঃ বিল্লাল সরকার দাবি করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ছেংগারচর বাজারের হাজী মার্কেট আল ওয়াফা ইলেকট্রনিক্স মার্সেল এক্সক্লুসিভ শোরুমে পিছনে ময়লা আর্বজনা (কাগজপত্র) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
অল্প সময়ের মধ্যে আগুন মার্সেল এক্সক্লুসিভ শোরুমে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ব্যবসায়ী হাজী মোঃ বিল্লাল হোসেন সরকার তার শোরুমে অবস্থান করছিলেন। আগুন দেখে তার ডাক চিৎকারে বাজারের ব্যবসায়ী ও এবং সাধারণ জনগণ দ্রুত বালতি নিয়ে ছুটে যান। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনতা পাশর্^বর্তী পুকুর থেকে পানি দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিভাতে যোগ দেয়। বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস টিম আগুন নিভাতে সক্ষম হয়।  দিনের বেলা হওয়াতে সকল ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী দ্রুত ছুটে আসায় এবং ফায়ার সার্ভিস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসায় বাজারে ভয়াভহ অগ্নিকান্ডের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে।
আল ওয়াফা ইলেকট্রনিক্স মার্সেল এক্সক্লুসিভ শোরুমের প্রোপ্রাইটর হাজী বিল্লাল সরকার বলেন, অগ্নিকান্ডে ১০টি ফ্রিজ, ১০টি বড় টেলিশিন,৭টি এসি, ৫টি ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এতে তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছ বলে জানান তিনি। শোরুমে পিছনে ময়লা আর্বজনা (কাগজপত্র) স্তুপে কেউ ধুমপান করে ময়লা আর্বজনা (কাগজপত্র) স্তুপে বিড়ি ফেলে রাখেছিলো এমনটাই তার ধারণা। তা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ছেংগারচর বাজারে অগ্নিকান্ডের খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে ছুটে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মোঃ জালাল উদ্দিন। তিনি এসময় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ছেংগারচর পৌর বিএনপির ১ নাম্বার ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হাজী বিল্লাল সরকারের সাথে কথা বলেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা ও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
এসময় জেলা বিএনপির সদস্য আলমগীর সরকার, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বশির আহাম্মদ খান, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জিতু,  ছেংগারচর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ছেংগারচর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ফরাজী, জেলা যুবদলের সহসভাপতি ও উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল হাসান বেনু’সহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃকর্মী সহ বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital