বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মামলা রূপান্তর হচ্ছে হত্যা মামলায়

কচুয়ায় চোরের হামলায় আহত প্রবাসীর স্ত্রীর ১৯ দিন পর মৃত্যু

মোঃ রাছেল ও আবু সাঈদ, কচুয়া থেকে প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
কচুয়ায় চোরের হামলায় আহত প্রবাসীর স্ত্রীর ১৯ দিন পর মৃত্যু

প্রথম ও দ্বিতীয় আসামী এবং নিহত রেহেনা।

চাঁদপুরের কচুয়ায় চোরের হামলায় গুরুতর আহত প্রবাসীর স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫৫) দীর্ঘ ১৯ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

​নিহত রেহেনা বেগম কচুয়া উপজেলার জগতপুর গ্রামের মিয়াজী বাড়ির প্রবাসী বেলায়েত হোসেনের স্ত্রী।

​জানা যায়, ​গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে রেহেনা বেগম ঘরে একা থাকার সুযোগে একই বাড়ির আক্তার মাস্টারের ছেলে আজহারুল ইসলাম সোহান (১৫) এবং আবু খালেদের ছেলে রবিউল ইসলাম (১৪) পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ঘরে প্রবেশ করে। তারা জোরপূর্বক মোবাইল ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে রেহেনা বেগম বাধা প্রদান করেন। এসময় কিশোররা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে উপুর্যুপরি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

​​আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসকরা পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফেরার কয়েকদিন পর গতকাল সকালে নিজ গৃহেই তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

​ঘটনার পরদিন ৭ ফেব্রুয়ারি কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৬)। রেহেনা বেগমের মৃত্যুর পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পরপরই প্রধান আসামি সোহানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে সে গাজীপুর শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে রয়েছে। দ্বিতীয় আসামি রবিউল ইসলাম বর্তমানে আদালত থেকে প্রাপ্ত জামিনে রয়েছে।

এ ব্যাপারে ​কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর মৃত্যুর প্রেক্ষিতে চলমান মামলাটি এখন আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।