শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মোহনপুরে ৫ জেলে আটক, ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম
মোহনপুরে ৫ জেলে আটক, ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস
১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষিত টানা দুই মাসব্যাপী জাটকা রক্ষা অভিযান শুরুর প্রথম দিন থেকেই মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। অভিযানের উদ্বোধনী রাতেই ব্যাপক নৌ টহল ও বিশেষ অভিযানে ৫ জন জেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ সময় ৫টি জেলে নৌকা, বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মালিকবিহীন প্রায় ৭০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মোঃ সাব্বির (২২), মোঃ মনির হোসেন পীর (২৮), মোঃ জয়নাল আবেদীন (৪৫), মোঃ শাহআলম (৩৫) ও মোঃ স্বপন সওদাগর (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের প্রথম দিন রাতে ফাঁড়ির অফিসার ও ফোর্স সমন্বয়ে ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ জলসীমায় ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মোহনপুর, দশানি, বাহাদুরপুর, সটাকি, ষাটনল, মরা পদ্মা, নাছিরারচর, বাহেরচর ও এখলাছপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সারারাত টহল জোরদার রাখা হয়। এ সময় নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য অবৈধ জাল দিয়ে জাটকা ও অন্যান্য মাছ আহরণের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জনাব মুহাম্মদ আলী বলেন, “জাটকা আমাদের জাতীয় সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ ইলিশ উৎপাদনের ভিত্তি। অভিযান শুরুর প্রথম দিন থেকেই আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, দমনমূলক অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফাঁড়ির পক্ষ থেকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রের বিভিন্ন হাট-বাজার, আড়ৎ, লঞ্চঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন, লিফলেট বিতরণ এবং জেলে পল্লীতে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। জাটকা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা, আইনগত বিধান এবং জেলেদের জন্য সরকারের প্রণোদনা ও বিকল্প কর্মসংস্থান বিষয়েও অবহিত করা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মোহনপুর নৌ পুলিশের ধারাবাহিক ও সমন্বিত এ উদ্যোগ জাটকা সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ভবিষ্যতে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন, কঠোর আইন প্রয়োগ ও ব্যাপক জনসচেতনতার মাধ্যমে জাটকা নিধন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital