বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব হলেন শাহরাস্তির কৃতি সন্তান গাজী শাহরিয়ার পামির

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব হলেন শাহরাস্তির কৃতি সন্তান গাজী শাহরিয়ার পামির

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মাটি আবারও এক কৃতি সন্তান উপহার দিল দেশকে। শাহরাস্তির রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের হাটপাড় গাজী বাড়ির মেধাবী সন্তান গাজী শাহরিয়ার পামির এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

দীর্ঘ দিন ধরে মাছরাঙা টেলিভিশনে সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত পামিরের এই নিয়োগ শুধু তার পরিবারের জন্য নয়, গোটা শাহরাস্তি ও চাঁদপুর জেলার জন্য এক অনন্য গর্বের সংবাদ। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ দেওয়া হয়, যা উপজেলাজুড়ে আনন্দ ও উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রয়াত আব্দুল মান্নান গাজীর এই সন্তান শৈশব থেকেই ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও মেধাবী। শাহরাস্তির ধানক্ষেত আর খোলা মাঠে শৈশব কাটিয়ে উচ্চ শিক্ষা ও পেশাগত জীবনের লক্ষ্যে রাজধানীমুখী হন পামির। সাংবাদিকতায় দীর্ঘ পথচলায় তিনি প্রতিবেদন ও উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে কাজ করে তিনি গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন।

সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অন্য পাঁচজনের পাশাপাশি পামিরের নাম থাকায় শাহরাস্তির তরুণ সমাজ নতুন করে অনুপ্রেরণা পাবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তাঁর ভাই, আত্মীয়স্বজন ও শাহরাস্তিবাসী এই সাফল্যে গর্বিত এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

Model Hospital

পারিবারিক সূত্র জানায়, শাহরাস্তির এই গাজী বাড়ির মাটি ও মানুষের আশীর্বাদ আজ পামিরকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তার নিয়োগে যেন বাস্তবায়িত হয়েছে একটি গ্রামের স্বপ্ন। নতুন দায়িত্বে শাহরিয়ার পামির তার দক্ষতা দিয়ে দেশের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এই প্রত্যাশা সবার।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস উইংয়ে স্পিচ রাইটার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বার্তা সংস্থা ইউএনবির সম্পাদক এসএএম মাহফুজুর রহমান। উপ-প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. সুজাউদ্দৌলা ও শাহাদত স্বাধীন। পামিরের পাশাপাশি সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট কে এম নাজমুল হক।

সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ৯ জন, যেখানে শাহরাস্তির সন্তান গাজী শাহরিয়ার পামিরের অবস্থান এখন আলোকিত এক অধ্যায়ের নাম।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।