বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে হরিদাসপাড়া মজুমদার ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
মতলব দক্ষিণে হরিদাসপাড়া মজুমদার ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ
মতলব দক্ষিণ উপজেলার হরিদাসপাড়া মজুমদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নারায়ণপুর পৌরসভার হরিদাসপাড়া, দৌলতপুর, পদুয়া ও কচুয়া উপজেলার শাসনখোলা গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ ইফতার সামগ্রী পৌছে দেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা।
এসময় ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন হরিদাসপাড়া মজুমদার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. রাসেল মজুমদার, কার্যকরি কমিটির সভাপতি আলী আশরাফ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিব মজুমদার, ফাউন্ডেশনের সদস্য মাহিম মজুমদার, খায়ের মজুমদার, মো. রিপন মজুমদার, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. মোস্তফা, রফিকুল ইসলাম, আলাউদ্দিন, সজিব, রাশেদ, সালাম, শুভ, আরিফ, শাহিন ও মিশন মজুমদারসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. রাসেল মজুমদার বলেন, রমজান মাস আমাদের জন্য সংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার এক অনন্য শিক্ষা নিয়ে আসে। কুরআন ও হাদিসে বারবার বলা হয়েছে, যারা অসহায়, দরিদ্র ও অভাবীদের সাহায্য করে, তারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা। মানবসেবা শুধু দান বা সহায়তা নয়, বরং মানুষের প্রতি দয়া, ন্যায় ও ভালোবাসার প্রকাশ।
এসময় তিনি আরও বলেন, এই ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম নিঃসন্দেহে সমাজে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করবে।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল সাহায্য নয়, বরং মানসিক শক্তি জোগানোও বটে। ইতিহাসের মহৎ ব্যক্তিরা সবসময় অন্যের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই ফাউন্ডেশনও অসহায় মানুষের পাশে থাকবে সবসময়।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।