বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মজুদ সংকটের অজুহাতে কচুয়ায় সুলতানা ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি বন্ধ, ভোগান্তিতে চালকরা

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩২ পিএম
মজুদ সংকটের অজুহাতে কচুয়ায় সুলতানা ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি বন্ধ, ভোগান্তিতে চালকরা

কচুয়া মেসার্স সুলতানা ফিলিং স্টেশন।

​চাঁদপুরের কচুয়ায় মজুদ সংকটের অজুহাতে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে মেসার্স সুলতানা ফিলিং স্টেশন। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় যানবাহন চালক ও সাধারণ মানুষ। ​শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনটির প্রবেশমুখে ‘তেল নেই’ সংবলিত সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং পণ্যবাহী ট্রাকগুলো তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।

​মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণনে সরকার নতুন নির্দেশনা জারি করার পরপরই এমন চিত্র দেখা গেল।

চালকদের অভিযোগ, সরকার তেলের সীমা নির্ধারণ করে দিলেও পাম্প কর্তৃপক্ষ অধিক মুনাফার আশায় বা কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে বিক্রি বন্ধ রেখেছে।

​ভুক্তভোগী এক মোটরসাইকেল চালক জানান, কয়েকটি পাম্প ঘুরে এখানে এসেছিলাম তেলের আশায়। কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে তাদের কাছে তেল নেই। অথচ গতকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক বিক্রি চলেছে। হুট করে তেল শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক।

Model Hospital

​এ বিষয়ে মেসার্স সুলতানা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার এনামুল হক জানান, ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কম থাকায় এবং বর্তমান মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। নতুন সরবরাহ এলেই পুনরায় বিক্রি শুরু হবে।

​উল্লেখ্য, গতকাল (৬ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যানবাহনভেদে তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এরপর থেকেই সারা দেশের মতো কচুয়ায়ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।