শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মসজিদের মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম
শাহরাস্তিতে মসজিদের মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৫

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মেহের উত্তর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে অবস্থিত দেবীপুর শাহ আকবর খন্দকার জামে মসজিদে দাতা সদস্য, খাদেম ও সাধারণ মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫ জন মুসল্লি আহত হয়েছেন।

​শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ও পরবর্তীতে ৬ই মার্চ) জুমার নামাজের পরপরেই এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

​আহতদের মধ্যে রয়েছেন— জয়নাল আবেদীন, পিতাঃ সেকান্দর আলী, মোঃ কাউছার, পিতাঃ দেলোয়ার হোসেন, জালাল আহমেদ, পিতা : জয়নাল আবেদিনসহ আরো কয়েকজন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

​প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজ চলাকালে বর্তমান কমিটি মানি না বলে এলাকার একদল দুর্বৃত্ত। তারপর জুমার নামাজের পরে হঠাৎ করে মসজিদ আঙ্গিনায় মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মারধর করলে মসজিদের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুসল্লিরা জীবন বাঁচাতে দিকবিদিক ছুটতে থাকেন।

Model Hospital

​আহত এক মুসল্লি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে আমরা নামাজ পড়তেছি, নামাজের পরপরই দেবীপুর গ্রামের আমির হোসেন ভূঁইয়ার পুত্র যথাক্রমে মোঃ সেলিম, মোঃ মহসিন, মোঃ সুমন ও একই এলাকার মোঃ শামিম হোসেন, পিতাঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ গোলাম মোর্শেদ রুবেল, পিতাঃ মৃতঃ আবুল হাশেম মসজিদের দাতা সদস্য, খাদেম ও সাধারণ মুসল্লিদের উপর হামলা চালায় ও মসজিদের খাদেমকে হত্যার হুমকি দেয়।

​স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা নামাজ পড়ছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন লোক মসজিদের ভেতরে ঢুকে হামলা শুরু করে। এতে কয়েকজন মুসল্লি গুরুতর আহত হন।”

​আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “ধর্মীয় স্থানে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

​ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মৃতঃ আমির হোসেনের পুত্র মোঃ মহসিন জানান, মসজিদের দাতা, খাদেম ও মুুসল্লিদের উপর হামলার অভিযোগ টি মিথ্যা। তবে ওই দিন জুমার নামাজের পর দুই পক্ষের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

​মেহের উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মজুমদার জানান, দেবীপুর মসজিদে মুসল্লিদের উপর হামলার ঘটনাটি আমি অবগত হই। তবে মসজিদের দাতা, খাদেম ও সাধারণ মুসল্লিদের উপর হামলা কোন ভাবেই কাম্য নহে।

​এ বিষয়ে মসজিদ সংশ্লিষ্ট একজন জানান, এই মসজিদটি দাতা পরিবার এলাকার লোকজন নিয়ে ভালো ভাবেই পরিচালনা করে আসছে। হঠাৎ করে বহিরাগতরা এসে বলছে তারা দাতা পরিবার, মোতয়াল্লির পরিচালনা মানে না।

আমি ওদের শান্ত করতে গেলে তারা আমাকে হামলা করতে উদ্যত হয়।

এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

​শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, দেবীপুর মসজিদে হামলার বিষয়ে আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার বিষয়টি আরো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital