বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে কিশোরের আ ত্মহ ত্যা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৫ এম
ফরিদগঞ্জে কিশোরের আ ত্মহ ত্যা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক কিশোরের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের দিঘলদী গ্রামের চৌয়াল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরের নাম রিফাত (১২)। সে দিনমজুর রফিক চৌয়ালের ছোট ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় রিফাত। এ সময় তার মা জাহানারা বেগম রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে গেলে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই হেলাল খান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এ সময় পুলিশ মরদেহটি থানায় নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন।
স্থানীয়দের দাবি, নিহত কিশোরের পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। তাই তাদের যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্যই মরদেহ থানায় নিতে দেওয়া হয়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি চেয়ে থানায় আবেদন করতে যান।
ফরিদগঞ্জ থানার এসআই হেলাল খান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি পরিবারের জিম্মায় রেখে তাদের থানায় আসা হয়েছে। তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের জন্য লিখিত আবেদন করছেন।
এদিকে পরিবারের দাবি, রিফাত দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। তবে তাকে কখনো কোনো মানসিক বিশেষজ্ঞের কাছে চিকিৎসা করানো হয়নি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছি। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।