বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে এক জনের মৃত্যু, গ্রেফতার-৩

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম
ফরিদগঞ্জে পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে এক জনের মৃত্যু, গ্রেফতার-৩

ফরিদগঞ্জে ঘুষি দিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা ছেলে গ্রেফতার।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে কলা পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্কের জেরে ঘুষিতে সিএনজি চালক বিল্লাল হোসেন (৫০) নিহত হওয়ার ঘটনায় মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত নৌ সদস্য আবুল বাশার (৬৩) এবং তার দুই ছেলে সাহাদাত হোসেন (৪০) ও ইমাম হোসেন (৩০)।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) জুমার নামাজের পর উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামে রমজান আলী লিটনের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে নিহত বিল্লাল হোসেন ছাগলের খাবারের জন্য একই বাড়ির চাচাতো ভাই আবুল বাশারের কলাগাছ থেকে কলা পাতা কাটেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবুল বাশারের ছেলে সাহাদাত হোসেন থানায় একটি লিখিত অভিযোগও করেন।
এর জের ধরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ইছাপুর গ্রামের রমজান আলী লিটনের দোকানের সামনে বিল্লাল হোসেনকে দেখতে পেয়ে আবুল বাশার ও তার দুই ছেলে তাকে ঘিরে ধরে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুষি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিল্লাল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত আবুল বাশার ও তার দুই ছেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন ও ওসি (তদন্ত) এমদাদুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কাউসার হোসেন বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে আবুল বাশার ও তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমার দিকনির্দেশনায় ফরিদগঞ্জ থানার একটি বিশেষ দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চাঁদপুর সদর থানাধীন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পৃথক পৃথক স্থান থেকে ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টার মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হেলাল উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।