শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে  জাতীয় দিবস উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২, ৪:১৩ পিএম
শাহরাস্তিতে  জাতীয় দিবস উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা
মোঃ. মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭,১৭,২৫,২৬ ই মার্চের জাতীয় দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ -মার্চ) বিকেলে শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
ওইদিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তারের সভা প্রদানে এটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় কার্যসূচিতে আসন্ন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ, ১৭ মার্চ  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস,২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন লক্ষ্যে এ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসগুলি যথাযোগ্য মর্যাদায় পরিপালনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার প্রশাসনের দিকনির্দেশনা করণীয় বিষয় তুলে ধরেন। পরে উপস্থিতির মতামতের ভিত্তিতে দিবসগুলি পালনের লক্ষ্যে প্রতিটি দিবসের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নাহার কাজল, মেহার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান, সুচিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ুন কবির,শাহারাস্তি সরকারি উবির  প্রধান শিক্ষক ইমাম হোসেন, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবির, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, এছাড়া শাহরাস্তি থানা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী, ১০টি ইউপির চেয়ারম্যান, পল্লী বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স,বিভিন্ন কলেজ ও  মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান গন,  গণমাধ্যমকর্মী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।