বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অবিলম্বে শূন্য পদে নিয়োগের দাবি চাঁদপুর জেলা হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের

চাঁদপুরে স্বাস্থ্য সহকারী ৪৯৫ পদের বিপরীতে কর্মরত ২৩৪ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
চাঁদপুরে স্বাস্থ্য সহকারী ৪৯৫ পদের বিপরীতে কর্মরত ২৩৪ জন

চাঁদপুর জেলা হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি সভায় বক্তব্য রাখছেন সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

সারা বাংলাদেশে ন্যায় চাঁদপুর জেলাতেও হামের প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

হামের পার্দূভাবের কারণে সহসায় শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন, এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। অথচ চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্য সহকারী ৫৩ শতাংশ পদই শূন্য। ২০১৮ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত তিনটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত কোন নিয়োগ হয়নি।

চাঁদপুর জেলায় ৪৯৫ ওদের বিপরীতে শূন্য পদ আছে ২৬২টি। হাম ক্যাম্পেন শুরু করার পূর্বে শূন্য পদে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হেল্প এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন চাঁদপুর জেলা শাখা। ৩ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. শুক্রবার চাঁদপুর সদর উপজেলা হলরুমে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর জেলা হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরাহাদ হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া স্বপন, সহ-সভাপতি মো. ওমর ফারুক, কামাল হোসেন, মাসুদ আলম মিয়াজি, ইউসুফ হোসেন পাটোয়ারী, আলমগীর কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ইয়াসিন মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মজুমদার, অর্থ সম্পাদক বিএম রোকনুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া আক্তার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ ইউসুফ খান, সম্মানিত সদস্য শাহ আলম তালুকদার, কবীর সুমন, লতিফ মিয়া, পারহানা সিকদার, মোস্তাকিম খান এবং এমএ মান্নান বেপারী প্রমুখ।

Model Hospital

নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে চাঁদপুর জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন- এর নিকট উদার্ত আহ্বান জানান অনতিবিলম্বে যেনো চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়াও বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ.ন.ম. এহছানুল হক মিলন এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সহকারীগণ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সম্ভাব্য হামে আক্রান্ত রোগী খুঁজে বের করেন, প্রয়োজনে উপজেলা এবং জেলা হাসপাতালে রেফার করেন।

তাছাড়া টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সহকারীগণ বাচ্চাদের টিকা দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই মুহূর্তে সীমিত সংখ্যক স্বাস্থ্য সহকারী দিয়ে এত বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব।

তারপরও বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন জেলার নেতৃবৃন্দ এই মুহূর্তে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করার জেলার সকল স্বাস্থ্য সহকারীদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital