বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৭টা বাজতেই অন্ধকারে ঢেকে গেল চাঁদপুর শহর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
৭টা বাজতেই অন্ধকারে ঢেকে গেল চাঁদপুর শহর

সন্ধ্যা ঠিক ৭টা বাজতেই হঠাৎ করে অন্ধকারে ঢেকে গেল চাঁদপুর শহর। সরকারের জ্বালানি সাশ্রয়মূলক নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় শহরের দোকানপাট, শপিংমল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এতে ব্যস্ত নগরজীবন মুহূর্তেই রূপ নেয় নীরবতায়।

জানা গেছে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেক ব্যবসায়ী দোকান গুটিয়ে নিতে শুরু করেন।

সরেজমিনে শহরের কুমিল্লা রোড, শপথ চত্বর, কালিবাড়ি, জেএম সেনগুপ্ত রোডসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে গেছে জনবহুল বিপণিবিতানগুলো। অন্যান্য দিনের তুলনায় সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের ব্যস্ত রাস্তাগুলো ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে পড়ে, তৈরি হয় এক ভিন্নরকম নিস্তব্ধতা।

শহরের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিচ্ছেন, তবে এতে ব্যবসায় প্রভাব পড়ছে। তাঁদের ভাষায়, “বিকেলের পরই বেচাকেনা বেশি হয়, সেটাই এখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।” তবে দেশের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার কথাও বলেন তারা।

পথচারীদের মধ্যেও দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। শহরের বাসিন্দা রাশেদা বেগম বলেন, “সন্ধ্যার পর বাজার করার অভ্যাস ছিল। এখন দ্রুত সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে দেশের প্রয়োজনে মানতে হবে।”

Model Hospital

একজন শিক্ষার্থী মাহমুদ হাসান বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সিদ্ধান্তটি ভালো। তবে শহরটা হঠাৎ করে খুব নির্জন হয়ে যায়, সেটাও অস্বাভাবিক লাগে।”

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্প্রতি এ নির্দেশনা জারি করেছে। গত ৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর বৈঠকের পর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার বিষয়ে সম্মতি হয়। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত চিঠি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশা করা হলেও, এর প্রভাব ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনে কতটা দীর্ঘমেয়াদি হবে—তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital