বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর, টিনের ঘর ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর, টিনের ঘর ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ

ফরিদগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে প্রতিপক্ষরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বসতঘরের সামনে থাকা একটি টিনের ঘর ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর (ঢালী বাড়ি) গ্রামের প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মোছা. কুলসুমা বেগম (৩৫) গত ১১ আগস্ট দুপুরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই এলাকার মৃত আব্দুল কাদের সরকারের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (৬০), মো. হারুন (৫০) এবং সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. রোজিনা বেগমসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে তাকে উদ্দেশ করে গালিগালাজ শুরু করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক বসতঘরে প্রবেশ করে কুলসুমা বেগমকে মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গেলে তার ছেলে মুন্না ও মেয়ে মুন্নী আক্তারও হামলার শিকার হন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা বসতঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। পাশাপাশি বসতঘরের সামনে থাকা একটি টিনের ঘর ভেঙে সেটির মালামালও নিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
আহত কুলসুমা বেগমকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী কুলসুমা বেগম বলেন, “বাড়িতে হামলা চালিয়ে সবকিছু ভেঙে দিয়েছে, সামনে থাকা টিনের ঘরটিও নিয়ে গেছে। আমরা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।”
তবে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম মারধর ও ঘর ভাঙার বিষয়টি স্বীকার করে দাবি করেন, চলাচলের পথে দীর্ঘদিন ধরে ঘর তুলে রাখায় বারবার সরানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তা না মানায় ঘরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মারধর ও ভাঙচুরের আলামত পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।