রূপালী চাঁদপুরের আয়োজনে প্রাণবন্ত বৈশাখী মিলনমেলা
বন্ধু মানে তুই-আমি-তোরা—

বন্ধু মানে সুখ-দুঃখে এক অটুট ভরসা, আর পথচলায় অনুপ্রেরণার শক্তি। সেই বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে “রূপালী চাঁদপুর” এর ব্যানারে প্রতি বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বৈশাখী মিলনমেলা।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সংগঠনের সদস্যরা ছুটে আসেন এই আনন্দঘন আয়োজনে অংশ নিতে। সকাল ৯টায় চাঁদপুর শহরের তরপুরচন্ডি এলাকার কাশেম বাজারস্থ সোহানা এগ্রো প্রজেক্টে (ডাঃ শাহাবুদ্দিনের রেস্ট হাউজ) একত্রিত হন সকল বন্ধু।

সকাল ১০টায় ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ দিয়ে শুরু হয় আপ্যায়ন পর্ব। এরপর স্মৃতিচারণ, প্রাণখোলা আড্ডা ও হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তে ভরে ওঠে পুরো পরিবেশ, যা চলে দুপুর পর্যন্ত।

দুপুর ২টায় মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেলে আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর নৌ-ভ্রমণের। সন্ধ্যায় পুরানবাজার স্টার আলকায়েদ জুট মিলে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যা মিলনমেলাকে দেয় ভিন্ন মাত্রা।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ক্লিন চাঁদপুরের প্রতিষ্ঠাতা ও রূপালী চাঁদপুরের সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশ, যার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।
দিনব্যাপী আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠা বন্ধুরা স্মৃতিময় মুহূর্তগুলো ধরে রাখতে অংশ নেন ফটোসেশনে।
সংগঠনের সভাপতি কাজী দিলজেব কবির রিপন জানান, “রূপালী চাঁদপুর আমাদের প্রাণের সংগঠন। আমরা যেখানেই থাকি না কেন, প্রতি বছর এই মিলনমেলার মাধ্যমে একত্রিত হই। ভবিষ্যতেও এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ঈদুল ফিতরে অসহায়দের মাঝে উপহার বিতরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।
দিনব্যাপী এই আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন নুরু, যুগ্ম সম্পাদক যুবায়ের আলম (বাপ্পি) ও নুরে আলম রিপন, গিয়াস উদ্দিন মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদ হোসেন মিলন, মিজান লিটনসহ অন্যান্য সদস্যরা।
আনন্দ, ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের বন্ধনে ভরপুর এই বৈশাখী মিলনমেলার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।





