বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে বাঁশি উৎসব সম্পর্কে মিথ্যাচারের নিন্দা রূপকার রফিকুজ্জামান রণির

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৮ পিএম
চাঁদপুরে বাঁশি উৎসব সম্পর্কে মিথ্যাচারের নিন্দা রূপকার রফিকুজ্জামান রণির

১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় জাহাঙ্গীর হোসেন নামের জনৈক ব্যক্তি বাঁশি উৎসব নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি। রণি ছিলেন প্রথম বাঁশি উৎসবের সদস্য সচিব।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় জাহাঙ্গীর হোসেন নিজেকে বাঁশি উৎসবের পরিকল্পনাকারী দাবি করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কলাম লিখেছেন। মূলত এ উৎসবের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলাম আমি। এমনকি প্রথম বাঁশি উৎসবের সঞ্চালকের দায়িত্বটুকুও আমিই পালন করেছিলাম।

অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি আরও বলেন, বাঁশি উৎসব নামকরণ করেছি আমি। বগুড়া লেখক চক্রের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকাগামী লঞ্চের কেবিনে বসে জাঙ্গীর হোসেনকে বলেছিলাম চলুন আমরা বাঁশি উৎসব নামে একটি অনুষ্ঠান করি।

তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান। তখন দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি ও শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত যন্ত্রশিল্পী দিলীপ ঘোষ সঙ্গে ছিলেন। যদিও প্রথমে নিদ্দিষ্ট কোনো সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠানটি করার কথা ছিলো না। কিন্তু জাহাঙ্গীর হোসেনের অনুরোধে ২০২১ সালে আমরা একটি সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠানটি করি। খুব সাড়া পেয়েছিলো অনুষ্ঠানটি। তাই পরের বছর একক ক্যাডিট নিতে আমাকে না জানিয়ে জাঙ্গীর হোসেন নিজ উদ্যোগে গোপনে অনুষ্ঠান সাজাতে শুরু করে। আমি অভিমানে দূরে সরে যাই। বিষয়টা নিয়ে খুব বেশি ঘাঁটাঘাটি করিনি।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, জাহাঙ্গীর হোসেন অনুষ্ঠানের একক ক্যাডিট নিয়ে এতোদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে সুবিধা গ্রহণ করেছে। তাতেও আমি অভিযোগ তুলিনি। কিন্তু যখন দেখলাম পত্রপত্রিকায় কলাম লিখে তিনি নিজেকে বাঁশি উৎসবের পরিকল্পকানাকারী দাবী করছেন এবং কলামে অনেক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করলেও কোথাও আমার নাম সংযুক্ত করেননি। কৌশলে আমার অবদানকে অস্বীকার করেছেন। তখন বিষয়টা আমাকে বিব্রত করেছে। এটা প্রতিবাদ না জানালে এই মিথ্যাচার সত্যে রূপদান পাবে। তাই এ ধরনের ইতিহাস বিকৃতির মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাই। নিন্দা জানাই তার অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি ও শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনিও স্বীকার করেন যে বাঁশি উৎসবের মূল পরিকল্পনাকারী ও নামকরণকারী ব্যক্তির নাম হচ্ছে অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি। রণি যখন অনুষ্ঠানের প্ল্যান উপস্থাপন করেন তখন দিলীপ ঘোষও পাশে ছিলেন।

এ সম্পর্কে প্যাপিরাস পাঠাগারের উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স বলেন, এ ধরনের মিথ্যাচারের কারণে একজন ব্যক্তির ক্যাডিট অন্যজন নিয়ে নেয় এবং সুবিধা ভোগ করে। তারাই আবার রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অনুদান নিয়ে নিজেকে সংস্কৃতিকর্মী দাবি করে সমাজকে কলুষিত করে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital