বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে বিশেষ এমআর ‘হাম–রুবেলা’ ক্যাম্পেইন’র শুভ উদ্বোধন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
চাঁদপুরে বিশেষ এমআর ‘হাম–রুবেলা’ ক্যাম্পেইন’র শুভ উদ্বোধন

চাঁদপুরে বিশেষ এমআর (হাম–রুবেলা) ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

চাঁদপুরে বিশেষ এমআর (হাম–রুবেলা) ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রথম পর্যায়ে চাঁদপুর জেলার ঝুঁকিপূর্ণ তিনটি এলাকা—চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর পৌরসভা ও হাইমচরে টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং তা এখনও চলমান রয়েছে। বর্তমানে ওই তিনটি এলাকার পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলা ও পৌরসভায়ও টিকাদান কার্যক্রম বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Model Hospital

তিনি আরও জানান, এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৩৭ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী কার্যক্রমের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় পর্যায়েও সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ক্যাম্পেইনটি দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপ ৫ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত উচ্চঝুঁকিপূর্ণ তিনটি এলাকায়—সদর, পৌরসভা ও হাইমচরে—চলমান রয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপ ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ সময় শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত মোট ১১ কার্যদিবসে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য জেলায় ২ হাজার ৪২৪টি কমিউনিটি টিকা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৩১৩টি টিম কাজ করছে। একই সঙ্গে ৩১৩ জন টিকাদানকারী, ৬২৬ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ৩১৩ জন প্রথম সারির তদারককারী দায়িত্ব পালন করছেন।

চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় ৬৩ হাজার ১৫১ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও অধ্যক্ষ নাজমুন নাহার, চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল হাসান ফয়সাল, চাঁদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খিসা এবং চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়ুয়া।

এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।