বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা এম ইলিয়াস আলীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৬ এম
ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা এম ইলিয়াস আলীর
মতলব উত্তর উপজেলার ১১ নম্বর ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার  ঘোষণা দিয়েছেন ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের স্থানীয়দের এক আলোচনা সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ঘোষণাকালে এম ইলিয়াস আলী বলেন, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুশাসনভিত্তিক ও মাদকমুক্ত ইউনিয়নে রূপান্তর করাই তাঁর লক্ষ্য। তরুণদের সম্পৃক্ত করে শিক্ষা, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নই হবে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদান এবং যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি—এসব ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইলিয়াস আলী আরও বলেন, তিনি একটি দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক পরিষদ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সুশাসন ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই জনগণের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
দলীয় সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, যুবদল ও দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সমর্থন পেলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আরও সফল হওয়া যাবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা এবং শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তাঁর ভূমিকা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
সমর্থকদের দাবি, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ শুরু করেছেন। ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ নম্বর ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি।
এদিকে, প্রার্থিতা ঘোষণার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ প্রার্থী হিসেবে এম ইলিয়াস আলীর অংশগ্রহণ নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।