বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিকতায় স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক অপু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৩ পিএম
সাংবাদিকতায় স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক অপু

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’ গ্রহণ করছেন সাংবাদিক সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী। সম্মাননাটি তাঁর হাতে তুলে দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. মোঃ আবু তারিক।

সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি সাইদ হোসেন অপু চৌধুরীকে ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা অডিটোরিয়ামে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে অর্থনীতি, সমাজসেবা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের মাঝে ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’ প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. মোঃ আবু তারিক বলেন, এ কে ফজলুল হক ছিলেন জনমানুষের নেতা। তাঁর ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি নতুন প্রজন্মকে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মফিজুর রহমান খান বাবু বলেন, শেরে বাংলার রাজনীতি ছিল জনগণকেন্দ্রিক। কৃষক-শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনুকরণীয়। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে শেরে বাংলার আদর্শ প্রচারে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দারুস-সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হামিদা খানম এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রফেসর ডা. নাজমা বেগম নাজু। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলার দৌহিত্র এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সাবেক (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এস এম আনোয়ার হোসেন অপু, এম এইচ আরমান চৌধুরী, আর কে রিপনসহ অন্যান্য বক্তারা।

উল্লেখ: সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জাতীয় দৈনিক আলোর বার্তা ও ডেইলি স্টেট–এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি চাঁদপুরের নিয়মিত দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার চিফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি শীর্ষস্থানীয় নিউজ পোর্টাল প্রিয় চাঁদপুর,
চাঁদপুর টাইমস, প্রিয় সময় এবং নীলকণ্ঠ–এর সঙ্গে সুনামের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন।

পুরস্কার গ্রহণ শেষে সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “এই সম্মাননা আমার সাংবাদিকতা জীবনের একটি বড় প্রাপ্তি। আমি কৃতজ্ঞ আয়োজকদের প্রতি, যারা আমার কাজকে মূল্যায়ন করেছেন। এ স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও জনস্বার্থমূলক সংবাদ পরিবেশনে অনুপ্রাণিত করবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital