কচুয়ায় আল-আরাফাহ হজ্ব কাফেলার দিনব্যাপী হজ প্রশিক্ষণ ও হাজী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ এম
কচুয়ায় আল-আরাফাহ হজ্ব কাফেলার কচুয়া শাখার উদ্যোগে এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠান।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পবিত্র হজ্ব ও ওমরাহ পালন সহজতর এবং ত্রুটিমুক্ত করার লক্ষ্যে আল-আরাফাহ হজ্ব কাফেলার কচুয়া শাখার উদ্যোগে এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে কচুয়া ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন তৃপ্তি মিনি চাইনিজ এন্ড কমিউনিটি সেন্টারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
আল-আরাফাহ হজ্ব কাফেলার চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মুফতী কাজী মো. মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি এনামুল হক ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা ময়নামতি এভিয়েশন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,শশইয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি রফিকুল ইসলাম হেলালী, ফকির বাজার মাদ্রাসার আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল রহিম, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ওয়াদুদ মজুমদার,মনপুরা ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক মাওলানা শাহজাহান, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার, বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা মানসুর আহমেদ,মাওলানা বেলায়েত হোসেন,মাওলানা রাসেল আহমেদ,মাওলানা জুনায়েদ সিদ্দিকী,মাওলানা ওমর ফারুক শাহজি,মাওলানা আহসান উল্যাহ প্রমুখ।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আসন্ন হজ যাত্রার যাত্রীগণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তরা বক্তব্যে বলেন,পবিত্র হজের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সঠিক জ্ঞান ও প্রস্তুতি ছাড়া হজের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলো যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব নয়। তাই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে হজের তাৎপর্য, ইবাদতের সঠিক পদ্ধতি, ইহরামের নিয়ম, মিনা-আরাফা-মুজদালিফায় করণীয়, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সৌদি আরবে অবস্থানকালীন করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
আল-আরাফাহ হজ কাফেলার পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি এনামুল হক বলেন,প্রতি বছরই হজযাত্রীদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকি।
অনেক হজযাত্রী আছেন নতুন। অনেকের বুঝতে সমস্যা হয়। এজন্য আমরা হাতেকলমে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা হজযাত্রীদের সুবিধার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। হজের পুরো সময়টাই আমরা আল্লাহর ঘরের মেহমানদের সর্বোচ্চ খেদমত আঞ্জাম দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি।





