বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্যজিৎ রায় স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ এম
সত্যজিৎ রায় স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ও ফেলুদা সিরিজের লেখক সত্যজিৎ রায় স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার।

শনিবার ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ চাঁদ টাওয়ারে অবস্থিত প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় সত্যজিৎ রায়ের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন, পাঠাগারের উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের কর্ণধার সাইফুল ইসলাম রাজিব, আবদুর রব ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব জাহেদুর রব জাহেদ রানা, স্কুল শিক্ষক ইব্রাহীম খলিল, সাহিত্যানুরাগী অ্যাডভোকেট ইমাম হাসান সৈকত, মাইসা মনি, ঝর্না আক্তার ও মনির হোসেন খান।

বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, সত্যজিৎ রায় ছিলেন উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি গ্রাম-বাংলার জীবন্ত ছবি তুলে এনেছিলেন। মানুষের সুখ-দুঃখ এবং হাসি-কান্নাকে তিনি চিত্রায়িত করেছেন অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, পথের পাঁচালী, আগুন্তুক, হীরক রাজার দেশে এবং গণশত্রুর মতো সিনেমা এখনও আবেদন হারায়নি। ফেলুদা সিরিজ, গান ও চিত্রনাট্য সব ক্ষেত্রেই তিনি অনন্য। যুগের পর যুগ চলে যাচ্ছে সত্যজিৎ রায়কে কেউ ছাপিয়ে যেতে পারেনি।

অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।

সব শেষে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।