বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, মারধর ও হত্যার হুমকি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
কচুয়ায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, মারধর ও হত্যার হুমকি

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ আলমগীর হোসেন কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কচুয়া থানাধীন বুধুন্ডা এলাকায় ১নং সাক্ষী জাকির হোসেনের দোকানের সামনে অপহরণের চেষ্টা। পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা অতর্কিতভাবে আলমগীর হোসেনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী জানান, তিনি এলাকায় পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ, গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ এবং মাটি ভরাট ও জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। প্রায় এক মাস আগে মাটি ভরাটের কাজ করতে গেলে আবারও তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে এলাকায় ব্যবসা করতে না দেওয়া এবং তার মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Model Hospital

ঘটনার দিন তিনি জাকির হোসেনের দোকানে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক দোকান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং অপহরণের চেষ্টা চালানো হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাকে গুরুতর জখম করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন বলেন, “বিবাদীদের কারণে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেকোনো সময় তারা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।”

এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ঙগ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

এব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কাগজ পেয়েছি,  বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া শনিবার কচুয়া বিশ্বরোড এলাকায় অবস্থিত রাজমহল চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।