বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের প্রতিভাবান শিশু বিক্রম আদিত্য দাসের অনন্য অর্জন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২১ পিএম
চাঁদপুরের প্রতিভাবান শিশু বিক্রম আদিত্য দাসের অনন্য অর্জন

চাঁদপুরের কৃতি শিক্ষার্থী বিক্রম আদিত্য দাস অল্প বয়সেই চিত্রাঙ্কনের জগতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর গর্বের কারণ হয়ে উঠেছে। সে বর্তমানে চাঁদপুর মিশন প্রাইমারি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। তার বাড়ি মাগুরা জেলায়। বাবা বিশ্বজিৎ দাস এবং মা রিপা পাল দু’জনেই সন্তানের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে সবসময় পাশে থেকেছেন।

ছোটবেলা থেকেই রং-তুলির প্রতি বিক্রমের আলাদা ভালোবাসা ছিল। বইয়ের খাতায়, দেয়ালে কিংবা কাগজে যেখানেই সুযোগ পেয়েছে, সেখানেই ফুটিয়ে তুলেছে তার কল্পনার জগৎ। পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় সেই ভালোবাসাই আজ তাকে এনে দিয়েছে বিস্ময়কর সাফল্য।

সম্প্রতি এলোয়া বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিক্রম সারা বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এই অর্জন তার প্রতিভাকে জাতীয় পর্যায়ে আরও সুপরিচিত করেছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন, মিরপুর ক্যাডেট কোচিং এবং গনি আইসা ফাউন্ডেশন থেকে সে প্রতিবছর বৃত্তি পেয়ে আসছে। নিয়মিত অনুশীলন, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে বিক্রম নিজেকে প্রতিদিন আরও এগিয়ে নিচ্ছে।

Model Hospital
এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বহুবার। তার আঁকা ছবিতে ফুটে ওঠে প্রকৃতি, দেশপ্রেম, গ্রামীণ জীবন, সামাজিক বার্তা এবং শিশুতোষ কল্পনার অপূর্ব মেলবন্ধন। বিচারকরাও তার কাজের সূক্ষ্মতা, রঙের ব্যবহার ও ভাবপ্রকাশে মুগ্ধ হন।

বিক্রম আদিত্য দাস তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন আমি ছবি আঁকতে খুব ভালোবাসি। যখন ছবি আঁকি, তখন মনে হয় আমি আমার নিজের একটা জগতে চলে যাই। বড় হয়ে আমি একজন ভালো শিল্পী হতে চাই এবং আমার ছবির মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কথা বলতে চাই।

শিক্ষকরা জানান, বিক্রম শুধু মেধাবী নয়, ভীষণ পরিশ্রমী ও বিনয়ী। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং নিয়মিত অনুশীলনের অভ্যাসই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তার সহপাঠীরাও তাকে অনুসরণ করে অনুপ্রাণিত হচ্ছে।

এমন প্রতিভাবান শিক্ষার্থীর সাফল্য শুধু তার পরিবারের নয়, বিদ্যালয়, এলাকা এবং পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়। বিক্রম আদিত্য দত্ত প্রমাণ করেছে ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে অল্প বয়সেই বড় স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। ভবিষ্যতে সে দেশের একজন খ্যাতিমান শিল্পী হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।