বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
কচুয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

কচুয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খনন প্রকল্পে নয়াকান্দি গ্রামে দায়সারাভাবে খনন করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

কচুয়া উপজেলার সাচার ইউনিয়নের সাচার- গৌরিপুর সড়কের পেট্রোল পাম্প থেকে সাবেক এমপি ডাক্তার শহীদুল্লাহর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার খাল খননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ইউনিয়নের সাচার,নয়াকান্দি, রাগদৈলসহ কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সুবিধা দিতে খাল খননে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। অকাল বন্যার হাত থেকে স্থানীয় কৃষকদের ফসল রক্ষা ও বছরব্যাপী তাদের চাহিদামতো সেচ সুবিধা নিশ্চিতে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড এ প্রকল্প হাতে নেয়।

চলমান ২০২৫-২০২৬ সালের অর্থবছরের ওই প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছে স্থানীয় কৃষক ও উপকারভোগীরা। বর্তমানে খালটি খনন করা হয়েছে নাম মাত্র। খালের গভীরতা ও প্রশস্ততার কাজ নিয়ম মেনে করা হয়নি বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, খাল খননের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে খালের শুরু থেকে দুই পাড়ে ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং কৃষি ফসল নষ্ট করা হয়েছে। খালের পাড় খাড়া (তির্যক) ভাবে খনন করায় যে কোন সময় পাড় ভেঙ্গে পড়ে খাল ভরাট হয়ে যাবে। বড় পরিসরে খাল খনন করা হবে এবং এর ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে এমন আশায় ক্ষতিগ্রস্থরা তখন বাধা দেননি। কিন্তু বর্তমানে ভেকু মেশিন দিয়ে দায়সারাভাবে খনন করায় কৃষকরা একদিকে কৃষি ফসল হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, অন্যদিকে খালের সুফল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

নয়াকান্দি গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেন, নিয়ম মেনে খনন করা হলে কয়েক হাজার কৃষক সেচ সুবিধা ও মাছ চাষের সুযোগ পেত। কিন্তু এখন যে অবস্থা, তাতে কৃষকদের কোনো উপকারেই আসবে না এই খাল।

Model Hospital

রাগদৈল গ্রামের কৃষকরা জানান, খাল যে পরিমাণ গভীর করার কথা তা করা হচ্ছে না। খালে পানি রেখেই মাটি কাটা হয়েছে। পানির মধ্যে থেকে কী পরিমাণ মাটি কাটা হচ্ছে তা বুঝা যায় না। ধারণার ওপর পানির মধ্যে মাটি কাটা হচ্ছে। আর খালের তলা তো সমান হওয়ার প্রশ্নই আসে না। খরা মৌসুমে পানি থাকার কথা থাকলেও তা হবে না। এতে সরকারের যে উদ্দেশ্য তা ভেস্তে যাবে।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (প্রাক্কলনিক) জসিম উদ্দিন মঠোফোনে বলেন, এই খাল খনন করার সময় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শাখা কর্মকর্তা) মোঃ সোহানুর রহমান উনি দায়িত্ব ছিলেন।

খালের যে পরিমাণ খননের কাজ হয়েছে ওই পরিমাণ মেজারমেন্ট করে অধিদপ্তরে প্রকল্পের বরাদ্দ করবে। তবে অনিয়মের বিষয়টি আমার জানা নেই, অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital