বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মহান মে দিবসে চাঁদপুরে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের আলোচনা সভা ও র‌্যালী

শ্রমিকের ঘামের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয় প্রকৃত উন্নয়ন ও সভ্যতা : শেখ জয়নাল আবেদীন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
শ্রমিকের ঘামের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয় প্রকৃত উন্নয়ন ও সভ্যতা : শেখ জয়নাল আবেদীন

মহান মে দিবসে চাঁদপুরে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বর্ণাঢ্য শ্রমিক র‌্যালী।

মহান মে দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের আলোচনা সভা শ্রমিক ও রেলি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে শহরের বিপনিবাগ দলীয় কার্যালয়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখা।
আলোচনা সভা শেষে বিপনীবাগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শ্রমিক র‌্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাইতুল আমিন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র‌্যালী পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শেখ মুহাম্মদ জয়নাল আবদিন।
তিনি তার বক্তব্য বলেন, মালিক শ্রমিকের সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যদি আমরা সুন্দর একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই, তাহলে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। শ্রমিকের ঘামের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয় প্রকৃত উন্নয়ন ও সভ্যতা। অথচ আমরা শ্রমিক এবং মালিকদের মধ্যে বৈষম্য করে রেখেছি।
তিনি বলেন, আজ আমাদের দেশে শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। তাদের ন্যায্য পাওনা মজুরি সঠিকভাবে পরিশোধ করা হয় না। বেতন ভাতা মাসের পর মাস বকেয়া করে রাখা হয়। শ্রমিকদের সাথে ইনসাফ করা হয় না। প্রকৃত শ্রমের মূল্য দেয়া হয় না। অথচ প্রকৃত শ্রমের মূল্যের বিনিময়ে একটি ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব। আমাদের দেশে প্রতিবছর অসংখ্য শ্রমিক নির্যাতন হত্যার শিকার হচ্ছে। সেগুলো বন্ধ করতে হবে। ইসলামী শ্রম নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে।
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ-এর চাঁদপুর জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ আবুল বাশার তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মহিবুল্লাহ বেপারীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা গাজী মুহাম্মদ হানিফ, উপদেষ্টা মুহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ , ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা হাফিজুর রহমান বিপ্লবী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়সিন প্রধানিয়া, সদর উপজেলা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ মিলন খান, ফরিদগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম রাজু, কচুয়া উপজেলা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।