শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক বিভাগের ২য় দিনের অভিযানে

মহামায়া ও বাকিলা বাজারে সড়কের দু’পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৫৮ পিএম
মহামায়া ও বাকিলা বাজারে সড়কের দু’পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। পর্যায়ক্রমে চাঁদপুর জেলা সদর থেকে কুমিল্লার লালমাই খাজুরিয়া পর্যন্ত প্রায় সবগুলো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
উচ্ছেদের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া পশ্চিম বাজার থেকে এ অভিযান শুরু হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সড়ক বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে রোববার (৩ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহামায়া পশ্চিম বাজার থেকে পূর্ব বাজার পর্যন্ত সড়ক বিভাগের একোয়ারকৃত সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনাগুলো দখলদাররা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেন।
এসব দোকানগুলোর বাকী অংশটুকু দুটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। তবে এখানকার হকাররা হঠাৎ করে কর্মহীন হয়ে পড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বড় ধরনের দুঃচিন্তায় পড়ে যান। তারা কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করবেন, এই ভেবে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
উচ্ছেদ অভিযানের প্রথমদিন গত রোববার (৩ মে) চাঁদপুর পুলিশ সুপারের বাসভবনের উত্তর পাশ, ওয়ারলেস বিআরডিবি অফিসের সামনে, ইকরা মডেল একাডেমি সংলগ্ন এলাকা, ওয়ারলেস সবজি বাজার, গোশতের বাজার এবং ওয়ারলেস মোড়ের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়াও এদিন বাবুরহাট বাজারের দুই পাশেও উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ আলী জানায়, এটি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ এবং সপ্তাহব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে।
চাঁদপুর জেলা শহর থেকে কুমিল্লার লালমাই খাজুরিয়া পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশের ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরো জানায়, উচ্ছেদের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
এসময় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহের আফরোজ, চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ আলী সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সড়ক বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহামায়া বাজারের এই উচ্ছেদ অভিযানকালে হাজারো উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। পরে এদিন বিকেলে বাকিলা বাজারেও অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করেন সড়ক বিভাগ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital