বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৫:০৩ পিএম
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

কচুয়া-গৌরিপুর ঢাকাগমী আল-আরাফাহ এক্সপ্রেস বাস পরিবহন বন্ধ করে দেওয়ায় সুরমা বাস ও আল-আরাফাহ এক্সপ্রেস বাস শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা।

সোমবার (০৫ মে) সকালে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে জগতপুর নামে স্থানে সুরমা বাস শ্রমিকরা আল আরাফাহ এক্সপ্রেস বাস বন্ধ করে দেয়। পরে দুপুর ২টার সময় আল-আরাফাহ বাস শ্রমিকরা পাল্টা ওই সড়কের কালিয়াপাড়া নামের স্থানে অন্যান্য পরিবহনের বাস গুলো বন্ধ করে দেয়। এতে প্রায় তিন ঘন্টা মহাসড়ক বন্ধ থাকায় পথচারীর যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয়রা জানান, হাজিগঞ্জ কচুয়া গৌরীপুর সড়কের আল আরাফা এক্সপ্রেস বাসের পারমিট না থাকায় বন্ধ করে দিয়েছে সার্জেন অফিসার। ওই ঘটনার সূত্র ধরে, সুরমা পরিবহনের হাজিগঞ্জ বাস কাউন্টার ৫০টি অধিক বাস আটকিয়ে রেখেছেন আল আরাফাহ এক্সপ্রেস পরিবহনের শ্রমিকরা। দুই বাস পরিবহনের দ্বন্দ্বে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে শ্রমিকরা বাস বন্ধ করে দেওয়ায় আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পথচারীরা।

কচুয়া সুরমা বাস কাউন্টারে যাত্রীরা বলেন, হঠাৎ আজকে সুরমা বাস বন্ধ হওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা অন্যান্য গাড়িতে ভাড়া দিয়ে ঢাকা যেতে হচ্ছে। এগুলো দেখার কেউ নেই।

Model Hospital

চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পদ্মা পরিবহনের বাসের যাত্রীরা জানান, হাজিগঞ্জ-কচুয়া ও গৌরীপুর সড়কের সুরমা ও আল আরাফাহ এক্সপ্রেস পরিবহনের বাস চলাচলের পারমিট নিয়ে দ্বন্দ্ব। চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে কোন সমস্যা নেই, তাহলে এই সড়ক বন্ধ করে দেওয়ার কারণ কি। আমরা বাসটি সড়কে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এগুলো প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন কি দেখে না।

সুরমা বাসের শ্রমিক ও ড্রাইভার জানান, কচুয়া সাচার ও গৌরীপুর সড়কে আল আরাফাহ বাসের কোন পারমিট নেই। ওদের বাস সার্জন অফিসার বন্ধ করে দিয়েছে।

পহেলা মে হাজীগঞ্জ সুরমা বাস কাউন্টারে ৫০টি অধিক বাস আটকে দিয়ে আমাদের শ্রমিকদের উপর নির্যাতন ও মোবাইল টাকা পয়সা নিয়ে যায় আল আরাফাহ এক্সপ্রেস পরিবহনের শ্রমিকরা ও বহিরাগত লোকজন। আমাদের সাথে আল আরাফাহ এক্সপ্রেস পরিবহনের সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই। ‌কেনো আমাদের বাস বন্ধ করে দিয়েছে এবং আমাদের শ্রমিকদের উপর হামলা করেছে এটার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

আল আরাফাহ এক্সপ্রেস পরিবহনের ড্রাইভার ও শ্রমিকা জানান, আমরা দুই বছর ধরে হাজিগঞ্জ কচুয়া সাচার সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে আসছি। হঠাৎ আমাদের বাসগুলো সুরমার মালিকপক্ষ লোকজন বন্ধ করে দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা চাই দুই পরিবহনের মালিক পক্ষরা বিষয়টি সমাধান করার জন্য অনুরোধ রইল।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital