বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কারনে ভাইরাল হলেন চাঁদপুর সদরের সাব রেজিষ্ট্রার রাজ্জাক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১২:০৬ এম
যে কারনে ভাইরাল হলেন চাঁদপুর সদরের সাব রেজিষ্ট্রার রাজ্জাক
সাম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা অভিযোগে ভাইরাল হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক হাসান। তার সাথে স্থানীয় এমপি’র অভিযোগের তীরের কথোপকথনের জেরে তিনি ভাইরাল হয়েছেন।
১২ মে মঙ্গলবার বিকালের পর হতে তিনি ভাইরাল হতে থাকেন। এরআগে সকাল ১০টায় সাব রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
এসময় তার সাথে দলীয় নেতাকর্মীসহ অন্যান্যরা ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কার্যালয়ে নিজ চেয়ারে বসে রয়েছেন সাব রেজিষ্ট্রার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক হাসান। পরে এমপি সে কক্ষে প্রবেশ করলে তাকে তিনি সালাম বিনিময় শেষে বসতে বলেন। যদিও এমপি চেয়ারে বসতে অপারগতা দেখান।
সাংসদ মানিক ওই সময় সাব রেজিষ্ট্রার রাজ্জাক কে প্রশ্ন করেন-রেজিষ্ট্রি বন্ধ করে রুমে কি করেন? কয়টায় অফিসে আসছেন? আপনার সম্পর্কে ত পাহাড় সমান অভিযোগ! যারা দলিল করতে আসে তাদের সবার থেকেই বার্তি টাকা দাবী করেন। দলিল লেখকরা আপনাকে খুশি না করলে আপনি রেজিষ্ট্রির কাজ করেন না। দলিল ঠিক থাকলে বার্তি টাকা দিতে হবে কেনো? দলিল সঠিক না হলে আপনি রেজিষ্ট্রি করবেন না। সরকারি বিধি মোতাবেক না হলে রেজিষ্ট্রি হবে না। কিন্তু আপনি সবার থেকেই উৎকোচ ঘুষের আশায় বসে থাকেন ইত্যাদী।
এসময় প্রতি উত্তরে রাজ্জাক বলেন, ৯ টায় অফিসে এসেছেন। এখনো দলিল লেখক আসেনি বলে তিনি কক্ষে বসে আছেন। ত্রুটিপূর্ণ থাকায় অনেক দলিলের কাজ আটকে আছে। ঘুষের বিষয়ে তিনি স্পেসিফিক অভিযোগ প্রত্যাশা করেন। প্রয়োজনে উর্ধ্বতনকে সেসব অভিযোগ জানাতে অনুরোধ করেন।
এমপি মানিক বলেন, আপনি ত আমাদের নেতাকর্মীদের থেকেই উৎকোচ চেয়েছেন। তাই অভিযোগ ত সরাসরি আপনার বিরুদ্ধেই। আমার ত কয়েক মাস পর পরই দলিলের কাজ থাকে। আমরাই যদি ভুক্তভোগী হই। তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কি? আমার দরজা সাধারণ মানুষের জন্য খোলা। তাই অভিযোগ আমার কাছে জমা হচ্ছে। সরকারি বেতনে চাকরি করার বাইরে অন্য চিন্তা থাকলে এখানে চাকরি করতে পারবেন না। বিধির বাইরে যদি দলীয় নেতাকর্মী কেউ দলিল করতে চাপ দেয় তাহলে সরাসরি আমাকে জানাবেন বা ডিসি এসপি কে জানাবেন। আমি ব্যবস্থা নিবো।
এসময় এমপি মানিক সাব রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারীদেরও ঘুষ না নিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাদের সতর্ক করতে দেখা যায়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।