বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জ জিয়ানগরে বসতঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
হাজীগঞ্জ জিয়ানগরে বসতঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় আদালতে মামলা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার জিয়ানগরে দিনমজুর শাহজাহান মিয়ার বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেন স্ত্রী সাজু বেগম। এতে ৬ জনকে আসামী করা হয় যার মামলা নং ৩৬০/২৬।

জানাযায়, গত ১০ মে রবিবার গভীর রাতে জিয়ানগরে দিনমজুর শাহজাহান মিয়ার বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ফেইসবুকে ব্যাপক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় রূপ নেয়।

ঘটনাস্থলে পুলিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিদর্শন করেন। শাহজাহানের একলা বাড়ীটি যে কেউ পূর্ব শত্রুতার জেরধরে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে বলে পাশে পড়ে থাকা পেট্রোলের বতল প্রমান রেখে যায়। শাহজাহানের পরিবার পাশ্ববর্তী প্রতিপক্ষ ফয়সাল গংগদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে দাবি করে ঘটনার তিনদিন পর চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন, জিয়ানগরের মৃত ফজর আলীর ছেলে ফয়সাল, জাশেদ ও জাহেদ এবং নরু মিয়ার ছেলে মতিন, আনোয়ারের ছেলে মিরাজ। এদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪৩৬, ১৪৩, ৩৪৭, ৩৫৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৪২৭, ৫০৬(২) ধারায় অভিযুক্ত করা হয়।

Model Hospital

মামলার বর্ননায় উল্লেখ, দিনমজুর শাহজাহানের পরিবারের সাথে আসামীদের সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে প্রতিপক্ষ লোকজনের সাথে কথা কাটাকাটি থেকে মারামারি রূপ নেয়। এসময় তারা বসতঘর পুড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তারই সুবাদে গত ১০ মে গভীর রাতে দিনমজুর শাহজাহান মিয়ার বসতঘর আগুন লাগিয়ে পুড়ে ছাই করে দেয়। পরিবারের লোকজন আগুনের লীলা দেখে ডাকচিৎকার করে ঘর থেকে এক কাপড়ে বের হতে গিয়ে আহত হয়। একলা বাড়ী হওয়ায় আগুন নিভানোর ব্যবস্থা না থাকায় চোখের সামনে ঘরের খাট, আলমারি, পাকের ঘর, হাঁস মুরগী, ছাগল, স্বণলংকার, নগদ টাকাসহ প্রয়োজনীয় জমির দলিলপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ বিষয়ে মামলার বাদী দিনমজুর শাহজাহানের স্ত্রী সাজু বেগম বলেন, আমি স্বামী সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে গ্রামের বাহিরে মাঠে বাড়ী করে গত কয়েক বছর ধরে বসবাস করে আসছি। প্রতিপক্ষ আসামীরা এখানে এসেও আমাকে থাকতে দিলো না। আমি নিরুপা হয়ে বিচার চাইতে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।

প্রতিপক্ষের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এদিকে আদালতের মামলার তদন্তের বার দেওয়া হয় হাজীগঞ্জ থানাকে। তাদের রিপোর্ট আদালতে আসার পরে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানাযাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।