বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সুলতানাবাদকে আধুনিক ও মডেল হিসেবে গড়তে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুন

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:০০ পিএম
সুলতানাবাদকে আধুনিক ও মডেল হিসেবে গড়তে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুন
আসন্ন মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার জন্য অনেকেই সম্ভাব্য তালিকায় আছেন। তাঁদের মাঝে একজন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মামুন।
তিনি সুলতানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীদের মাঝে অনেকে বলেন, প্রার্থীদের কাছে মুল চাওয়া থাকবে, প্রার্থীর গুনাবলী, আচার -আচরণ, মানুষের প্রতি কতটুকু আন্তরিক, মানবতা, যোগ্যতা এবং অসহায় মানুষের পাশে সহোযোগিতার হাতটা যে বাড়িয়ে দেয়। এসমস্তগুণাবলীর একমাত্র অধিকারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মামুন। যিনি দীর্ঘদিন ধরেই সাধারন মানুষের মাঝে তার আন্তরিকতা, মানবতা দিয়ে একজন জনবান্ধব রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই তার প্রার্থীতায় ইউনিয়নে ব্যাপক সাড়া জেগেছে।
ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া কামনা করে নিজের ছবি সম্বলিত পোষ্টার লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার অভিমত ব্যক্ত করেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মামুন বলেন, মানুষের সাথে মিলেমিশে সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ কর্মকা- নির্মূল করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ডঃ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের হাতকে শক্তিশালী করতে আসন্ন সুলতানাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। সুলতানাবাদ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম এলাকাকে দেশের অন্যতম উন্নত গ্রামে পরিণত করতে ইউনিয়নবাসীর সহযোগিতা প্রার্থনা করেন তিনি।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মামুন আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি তৃণমূলের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ সুনিশ্চিত।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মামুন সুলতানাবাদ ইউনিয়ন এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ১৯৯৩ সালে নন্দলালপুর ছামাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ বিষয়ে লেটার মার্ক’সহ এসএসসি এবং ১৯৯৫ সালে নটরডেম কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। তারপর প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে ১৯৯৫-৯৬ সেশনে বিবিএ (সন্মান) এবং এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে স্বনামধন্য গ্রুপ কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে “আল বারাকাহ ফ্যাশন ” নামে বায়িং হাউজের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। একই সাথে এলাকার উন্নয়ন কল্পে একাধিক রাস্তার ঠিকাদারি কাজ চলমান রয়েছে। ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সমাজ সেবা কর্মের সাথে জড়িয়ে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।