বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে যে খাল খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, ৪৮ বছর পর সেই ধারায় তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম
শাহরাস্তিতে যে খাল খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, ৪৮ বছর পর সেই ধারায় তারেক রহমান

চাঁদপুরের শাহরাস্তির খোর্দ্দ খাল যেন শুধু একটি জলধারা নয়- এটি বহন করছে একটি রাজনৈতিক ইতিহাস, একটি পরিবারের স্মৃতি এবং গ্রামীণ জনপদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। প্রায় ৪৮ বছর আগে যে খালের খননকাজে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সেই খাল পুনর্খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন তারই ছেলে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৬ মে) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোর্দ্দ খাল পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় প্রবীণদের অনেকেই স্মরণ করেন ১৯৭৭-৭৮ সালের সেই সময়কে, যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। সে সময় তিনি শাহরাস্তিতে এসে খোর্দ্দ খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন।

দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সেই খাল আজ অনেকটাই ভরাট ও সংকুচিত। বর্ষায় জলাবদ্ধতা, শুকনো মৌসুমে সেচ সংকট এবং কৃষিকাজে স্থবিরতা তৈরি হয় এলাকায়।

Model Hospital

স্থানীয়দের ভাষ্য, নতুন করে খাল পুনর্খননের মাধ্যমে শুধু পানি প্রবাহই ফিরবে না, ফিরবে বহু পুরনো স্মৃতির পুনর্জাগরণ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনর্খননের ফলে ২৪১ হেক্টর কৃষিজমি পুনরায় সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। উপকৃত হবে প্রায় ২ হাজার ৭৮৮ কৃষক পরিবার। পাশাপাশি মাছ চাষ, পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।

সকালে ঢাকা থেকে বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে রওনা হয়ে কুমিল্লার বরুড়া হয়ে শাহরাস্তিতে পৌঁছান তারেক রহমান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

ওয়ারুক বাজার এলাকায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল এক আবেগঘন পরিবেশের রূপ নেয়। স্থানীয় অনেক প্রবীণ বলেন, বাবা যে খাল খনন করেছিলেন, আজ ছেলে এসে সেই খাল আবার খনন শুরু করলেন, এটা আমাদের জন্য অন্যরকম অনুভূতি।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনর্খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। আজ চাঁদপুর সদর উপজেলার ঘোষেরহাট বিশ্বখাল পুনর্খনন কার্যক্রমও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।