বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া নূরুল আজাদ কলেজের সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী ফয়সাল আজাদ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১:০২ এম
কচুয়া নূরুল আজাদ কলেজের সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী ফয়সাল আজাদ

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নুরুল আজাদ কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম নুরুল আজাদের সুযোগ্য সন্তান ফয়সাল আজাদ রুবেল। তিনি সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও আশাবাদের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্থরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা ২০২৪ এর অনুচ্ছেদ ৬৪(৪) সংশোধিত প্রবিধানমালা ২০২৫ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুসরণ করে পরবর্তী ৬ মাসের জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদন পত্র জারি করা হয়। এডহক কমিটির অনুমোদন পত্র অনুযায়ী সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন ফয়সাল আজাদ রুবেল।

এছাড়া সদস্য সচিব হিসেবে পদাধিকার বলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, শিক্ষক প্রতিনিধি ফরহাদ হোসেন তালুকদার, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে মোঃ জালাল হোসেন নির্বাচিত হলেন।

অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন জানান, বাতাবাড়িয়া নূরুল আজাদ কলেজ, মনপুরা জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়,বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন বর্তমান সভাপতি ফয়সাল আজাদের বাবা শিক্ষানুরাগী মরহুম নুরুল আজাদ। এই এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে মরহুম নুরুল আজাদ সাহেব আলোকিত করেছেন। তারই সুযোগ্য সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ফয়সাল আজাদ রুবেলের নেতৃত্বে নূরুল আজাদ কলেজ শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে আরও এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন তিনি।

Model Hospital

এক প্রতিক্রিয়া নবনির্বাচিত সভাপতি ফয়সাল আজাদ রুবেল বলেন,“আমার বাবা মরহুম নুরুল আজাদ এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যেন এলাকার মানুষ উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। আমি তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। মহান আল্লাহ তাআ’লা আমাকে যথেষ্ট দিয়েছেন, এখন আমি আমার এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন,“আমি চাই এই এলাকার ছেলে-মেয়েরা সঠিকভাবে লেখাপড়া করে দেশ-বিদেশে বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করুক। তারা যেন গর্ব করে বলতে পারে—আমি নূরুল আজাদ কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম। কলেজে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, আমি তা করার চেষ্টা করবো। কোনো গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়া যেন অর্থের অভাবে বন্ধ না হয়, আমাকে জানাবেন—আমি তাদের পাশে দাঁড়াবো ইনশাআল্লাহ।”

এছাড়াও গবর্নিং বোর্ডের সভাপতি ফয়সাল আজাদ পক্ষ থেকে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ও কচুয়ার সংসদ সদস্য ড.আনম এহছানুল হক মিলন এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital