বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক দখলমুক্ত রাখতে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নেতৃত্বে

চাঁদপুর থেকে লালমাই পর্যন্ত ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৮:১৬ পিএম
চাঁদপুর থেকে লালমাই পর্যন্ত ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ

সড়ক দখলমুক্ত রাখতে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নেতৃত্বে জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেন। উচ্ছেদের ফলে সড়কের দৃশ্যমানতা ও প্রশস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং পথচারীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল সওজের এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

চাঁদপুর জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দখল ও স্থাপনার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযান করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ), চাঁদপুর সড়ক বিভাগ। জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত প্রায় ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় এনে সড়কের দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

রোববার (৩ মে) থেকে ১০ মে পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেয় সওজ, চাঁদপুর। সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পুলিশ। অভিযানে প্রায় ১০টি বাজারের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

উচ্ছেদকৃত বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে—ওয়ারলেস বাজার, বাবুরহাট বাজার, মহামায়া বাজার, বাকিলা বাজার, দেবপুর বাজার, হাজীগঞ্জের আংশিক অংশ, উয়ারুক বাজার ও খাজুরিয়া বাজার।

সওজ সূত্রে জানা যায়, সড়কের জায়গা দখল করে স্থায়ী দোকান বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন কিছু ব্যবসায়ী। এতে সড়কের স্বাভাবিক প্রশস্ততা কমে গিয়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন, যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে সড়ক বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে একাধিকবার নোটিশ প্রদান করা হয়। মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে অনুরোধ জানানো হয়।

Model Hospital

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেকে নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিলেও, যারা নির্দেশনা মানেননি তাদের স্থাপনাই উচ্ছেদের আওতায় আনা হয়।

এ বিষয়ে সওজ, চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা: ইউনুস আলী বলেন, এটি আমাদের নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ ছিল। জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশ দখলমুক্ত রাখতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছি। যারা সড়কের জায়গা দখল করেন না, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে নিয়মিত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন—এসব স্থাপনাই অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সড়ক জনগণের সম্পদ। সড়কের জায়গা দখল করে কেউ স্থাপনা গড়ে তুললে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী। আমরা চাই সড়ক নিরাপদ, প্রশস্ত ও চলাচলযোগ্য থাকুক। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। উচ্ছেদের ফলে সড়কের দৃশ্যমানতা ও প্রশস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং পথচারীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল সওজের এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

তিনি আরও বলেন, সড়কের জমি রক্ষা এবং অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনিক সহায়তায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে সড়কের জমি দখল না করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে তিনি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।