বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন: কচুয়ায় চাষির ২০ লাখ টাকার স্বপ্ন ভেসে গেল

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম
রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন: কচুয়ায় চাষির ২০ লাখ টাকার স্বপ্ন ভেসে গেল

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় একটি মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার কাদলা ইউনিয়ন এর কাপিলাবাড়ি গ্রামের মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন মাছচাষি মো. শাহাদাত হোসেন মজুমদার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহাদাত হোসেন মজুমদার দীর্ঘদিন ধরে ১৪২ শতাংশ জমিতে মাছের প্রজেক্ট গড়ে তুলে পাঙ্গাস মাছ চাষ করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারী পরিকল্পিতভাবে তাঁর মাছের প্রজেক্টে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত চাষির ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষি মো. শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেন, “বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে প্রায় এক কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আমি এই মাছের প্রজেক্ট শুরু করি। এক বছরের পরিশ্রমে মাছগুলো বড় করেছি। রোববার রাতে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে এসে দেখি সব পাঙ্গাস মাছ মরে পানির ওপরে ভেসে উঠছে। মাছের খাবার, রেণু পোনা ও পরিচর্যায় প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন আমি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। ব্যাংক ও এনজিওর ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব বুঝতে পারছি না।”

তিনি আরও জানান, “তিন দিন আগে এলাকার কিছু বখাটে ছেলে আমার আমগাছের আম ছিঁড়ে নষ্ট করে। আমি প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষতি করার হুমকি দেয়। ধারণা করছি, তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।”

Model Hospital

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা মৎস্য অফিস এর অতিরিক্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষি আমার কাছে এসেছিলেন। পুকুরের পানি পরীক্ষা করে গ্যাস বা প্রাকৃতিক কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষ প্রয়োগের কারণেই মাছগুলো মারা গেছে। তাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

অন্যদিকে কচুয়া থানা এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital