বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ পিএম
মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি মো. আতাউর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলমের পরিচালনায় সভায় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মো. আতাউর রহমান সরকার বলেন, বিদ্যালয়টি এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ডক্টর মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আতাউর রহমান সরকার বলেন, উনি একজন শিক্ষানুরাগী।  আমার বিশ্বাস উনার মাধ্যমেই বৃহত্তর মতলবে শিক্ষাখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
তিনি আরো বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি গোলাম হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, সোলাইমান আহম্মদ কাজল, মনজুর আহমেদ সরদার, রুহুল আমিন মেম্বার, মো. হোসেন প্রধান, ফয়েজ আহম্মেদ, নুর কবির মাস্টার, ওয়াইছ হোসেন সরকার, আক্দুল আউয়াল, শাহজালাল মাঝি, সুমন বেপারী, সুজন প্রধানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী স্মারক ইস্যুর তারিখ হতে আগামী ৬ মাসের জন্য এ এডহক কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়।
নবগঠিত এডহক কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আতাউর রহমান সরকার। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল আলম। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মো. গোলাম হোসেন এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. জাকির হোসেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।