বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাহায্যের আকুল আবেদন: বাঁচতে চায় ছোট্ট রহিম

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:৫৯ পিএম
সাহায্যের আকুল আবেদন: বাঁচতে চায় ছোট্ট রহিম

​”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য।” একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু?

​ছবিতে শুয়ে থাকা এই ছোট্ট নিষ্পাপ শিশুটি আমার আপন চাচাতো ভাই, নাম মোঃ রহিম। বয়স খুবই কম, অথচ এই বয়সেই সে এক কঠিন জীবনযুদ্ধের মুখোমুখি। রহিম দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক হাম (Measles) রোগে আক্রান্ত, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার শরীর শুধু হামেই সীমাবদ্ধ নয়; সঠিক ও উন্নত চিকিৎসার অভাবে তার শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ বাসা বেঁধেছে। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

​সে মকিমাবাদ (৪নং ওয়ার্ড, দরগা বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোঃ ইকবাল এবং মায়ের নাম কাজল বেগম।
​রহিমের বাবা একজন CNG চালক অত্যন্ত সাধারণ মানুষ। বর্তমানে পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার এত বড় ব্যয়ভার বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাভাবে চোখের সামনে নিজের সন্তানকে তিলে তিলে শেষ হয়ে যেতে দেখছেন অসহায় বাবা-মা। টাকার অভাবে আজ তার চিকিৎসা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

​আমাদের সামান্য একটু অবদান, একটুখানি সহানুভূতি হয়তো এই নিষ্পাপ শিশুটিকে আবার সুস্থ সুন্দর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে পারে। আপনাদের দেওয়া যাকাত, ফিতরা কিংবা সামান্য সাহায্যই হতে পারে রহিমের বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বন।

Model Hospital

​আসুন, আমরা যে যার সাধ্যমতো এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য পাঠান নিচের ঠিকানায়:

সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম: ​বিকাশ (Personal): [01609677819, +880 1811-839204]

যোগাযোগের নম্বর: [01874-661149]

​বিশেষ অনুরোধ: যদি আর্থিক সাহায্য করতে নাও পারেন, দয়া করে পোস্টটি একটু শেয়ার (Share) করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো দয়াবান মানুষের কাছে এই আবেদনটি পৌঁছে দিতে পারে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।