বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
কচুয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কচুয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন,ইউএনও মাহমুদুল হাসান রাসেল।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে কচুয়ায় সঠিক নিয়মে কোরবানির পশু জবাই এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) কচুয়া উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে “যথানিয়মে কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ” শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে কোরবানির পশু জবাইয়ের স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি, মাংস কাটাকাটি ও সংরক্ষণ, পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, চামড়ায় লবণ প্রয়োগের সঠিক নিয়ম, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে ব্যবহারিক বিষয়ও প্রদর্শন করা হয়।
কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইউএনও মাহমুদুল হাসান রাসেল।
এসময় তিনি বলেন,কোরবানির পশুর চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। সঠিক নিয়মে চামড়া না ছাড়ানো এবং সংরক্ষণের অভাবে প্রতি বছর প্রচুর চামড়া নষ্ট হয়। যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা এই অপচয় রোধ করতে পারি। তিনি চামড়া সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই এবং জবাইয়ের পর দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় মূল প্রশিক্ষক ও কারিগরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন কচুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো. সাখাওয়াত হোসেন। এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব ও ইমামগণ, পেশাদার কসাই, ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় নতুন উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।