শাহরাস্তি বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংকের বর্ষপূর্তিতে সমাজসেবায় সম্মাননা পেল ‘দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা’
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ও আর্তমানবতার সেবার অঙ্গীকারে সম্পন্ন হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংক’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে শনিবার (৩০ মে) বিকেল ৪ ঘটিকায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলার অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন ‘দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা’-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

শাহরাস্তি উপজেলার বেরনাইয়া এলাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থার প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংকের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রক্তদান ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করা বিভিন্ন পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংক যে মানবিক যাত্রা শুরু করেছে, তা এই এলাকার মুমূর্ষু রোগীদের জন্য আস্থার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা দীর্ঘ সময় ধরে যেভাবে ক্যান্সার আক্রান্তদের সহায়তা, দুস্থদের চিকিৎসা ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে থাকছে, তা পুরো জেলার জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

সম্মাননা গ্রহণ শেষে দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থার নেতৃবৃন্দ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংকের এই সম্মাননা আমাদের আগামীর পথ চলায় বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ সামাজিক প্রচেষ্টাই পারে একটি সুন্দর শাহরাস্তি গড়ে তুলতে। বিশেষ করে বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংক যেভাবে জরুরি মুহূর্তে রক্ত সরবরাহ করে জীবন বাঁচাতে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

”উল্লেখ্য, দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা বিগত কয়েক বছর ধরে শাহরাস্তিতে বহুমুখী মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। করোনাকালীন সহায়তা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে সোহাগ ও নুরুল হকের মতো অসহায় ব্যক্তিদের বড় অংকের চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে সংগঠনটি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, বেরনাইয়া জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতা ও রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে বেরনাইয়া ব্লাড ব্যাংক তাদের কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মিলনমেলা শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।





