শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মোটরসাইকেল চালানো শিখতে গিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল মামা-ভাগ্নির

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম
মোটরসাইকেল চালানো শিখতে গিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল মামা-ভাগ্নির

চাঁদপুরের মতলব ব্রিজে ভাগ্নিকে মোটরসাইকেল চালানো শিখাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মামা (রাব্বি) (২৩) ও ভাগ্নি (ঈশা মনি ) দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ (২ জুন) সোমবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় মতলব সেতুর উত্তর পার্শ্বে এপ্রোচ সড়কে বাইক এবং সওজ এর গাড়ীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

চাঁদপুর নেয়ার পথে প্রথমে মারা যায় রাব্বি এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় ভাগ্নি ঈশা মনি।

রাব্বির বাড়ী মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাইশপুর গ্রামে। বর্তমানে কলাদীতে বসবাস।তার পিতার নাম মিজানুর রহমান। ঈশা মনির বাড়ী মতলব উত্তর উপজেলায়। তার পিতার নাম জুয়েল। দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকাতে বসবাস তাদের। ঢাকায় একটি প্রাইভেট স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে।

Model Hospital

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈশা মনি মঙ্গলবার মতলবে নানার বাড়ী বেড়াতে আসে। মামা রাব্বির বাইক দেখে ড্রাইভিং শিখার আগ্রহ হয় ভাগ্নি ঈশা মনির। পরে তার মামাকে সাথে নিয়েই বিকেলে বাইক চালানো শিখতে গিয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের গাড়ীর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাইকসহ রাব্বি ও ঈশা মনি দু’জনেই ছিটকে পড়ে যায়। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাব্বি মারা যায়। এদিকে ঈশা মনির অবস্থা বেগতিক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পথিমধ্যে সেও মারা যান । খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গেলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে সেখান থেকে বাইক উদ্ধার করে থানা নিয়ে যায়।

মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

আহত ইশাত আক্তারের খালাতো ভাই মাহিদুল ইসলাম সেতু জানান, ইশাত তার খালাতো বোন। তার বাবা সচিবালয়ের একজন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালে হলেও তারা বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করেন।

খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) স্বপন নন্দী হাসপাতালে যান এবং নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital