বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনহীন এক যুগের পথে হাজীগঞ্জ দলিল লিখক সমিতি, উঠছে নানা অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
নির্বাচনহীন এক যুগের পথে হাজীগঞ্জ দলিল লিখক সমিতি, উঠছে নানা অভিযোগ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে একই কমিটি বহাল থাকায় সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি প্রায় এক দশক ধরে দায়িত্ব পালন করলেও নতুন নির্বাচন বা নেতৃত্ব পরিবর্তনের উদ্যোগ না থাকায় সংগঠনটির কার্যক্রম, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সমিতির একাধিক সদস্যের অভিযোগ, সভাপতি আ. গাফফার ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটি ২০১৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কার্যত সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের প্রভাবেই সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সদস্যদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরী কমিটির সভা কিংবা সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। নিয়মিত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও দৃশ্যমান নয়। তবে আর্থিক বিষয়াদি পরিচালনা অব্যাহত থাকায় সংগঠনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেলা পর্যায়ের নেতাদের উদ্যোগে আ. গাফফারকে সভাপতি ও বিল্লাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই সংগঠনের ভেতরে বিরোধ দেখা দেয়।

Model Hospital

পরবর্তীতে সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি ও শাহাদাৎ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে আরেকটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে সেই কমিটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কয়েক দিন নিজেদের পরিচয়ে কার্যক্রম চালানোর পর বিকল্প কমিটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, প্রভাবশালী মহলের কারণে ওই কমিটি টিকতে পারেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন দলিল লিখক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়া এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে সমালোচনা করলে তাঁর ঘনিষ্ঠদের পক্ষ থেকে বিরূপ আচরণের মুখে পড়তে হয়। এ কারণে অনেক সদস্য নীরব থাকেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় দলিল লিখক সমিতির এক নেতা বলেন, “২০১৬ সালে আ. গাফফার ও বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের পর হাজীগঞ্জে আর কোনো নতুন কমিটি হয়নি।” তবে দীর্ঘ সময়েও কেন নতুন নির্বাচন বা কমিটি গঠন করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

সমিতির সদস্যরা দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও নেতৃত্বের পরিবর্তনের মাধ্যমে সংগঠনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা সম্ভব।

প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সভাপতি আ. গাফফার ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।