বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সদর ইউএনও’র সাথে বিডি ক্লিনের সদস্যদের মতবিনিময়

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
চাঁদপুর সদর ইউএনও’র সাথে বিডি ক্লিনের সদস্যদের মতবিনিময়

পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন চাঁদপুর সদর টিমের পক্ষ থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামিউল হিকমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন চাঁদপুর সদর টিমের পক্ষ থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামিউল হিকমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিডি ক্লিনের সদস্যরা সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পাশাপাশি চাঁদপুর জেলাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জেলায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিউল হিকমা বলেন, “পরিচ্ছন্নতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি নাগরিক দায়িত্ব ও সচেতনতার প্রতিফলন। বিডি ক্লিনের মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তরুণদের এই উদ্যোগ আমাদের একটি সুস্থ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন হিসেবেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।

Model Hospital

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিডি ক্লিন চাঁদপুর সদর টিমের টিম মনিটর রোজিনা আক্তার, মডারেটর (আইটি অ্যান্ড মিডিয়া) সাকিল হোসেন, মডারেটর (লজিস্টিক) জায়েদ হাসান, সাব মনিটর-১ জুয়েল হোসেন, সাব-মডারেটর (লজিস্টিক) আরিফ হোসেন এবং সদস্য মেহেদী হাসান সাকিব।

সভা শেষে বিডি ক্লিন চাঁদপুর সদর টিমের সদস্যরা পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং চাঁদপুর জেলাকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সচেতন জেলায় রূপান্তর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা বলেন, “বিডি ক্লিন রূপান্তরে বিশ্বাস করে। সমাজের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি পরিচ্ছন্ন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।