বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ হাবিবুল্লহর ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
চাঁদপুরের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ হাবিবুল্লহর ইন্তেকাল

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান, একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগী ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুল্লহ গত রোববার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন| (ইন্নাল্লিাহে—-রাজেউন)| তার বয়স হয়েছিল ৮০বছর| তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক ছেলে রেখে গেছেন| রাজধানীর শুক্রাবাদ মসজিদে জানাজার পর চাঁদপুরে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে|

মো. হাবিবুল্লাহ চাঁদপুরের মোহনপুর হাই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাবি এস এম হলের ছাত্র মো. হাবিবুল্লাহ ইপিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ফরিদপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বর্ণাঢ্য সরকারি চাকরিজীবন শুরু করেন।

একাত্তরে শরীয়তপুরের নড়িয়া থানা ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে রাতের আঁধারে যোগাযোগ শুরু করেন। তার কারনে নড়িয়া থানা এলাকা রাতের বলা সম্পূর্ণ মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকতো। থানা মুক্তিবাহিনী যেদিন নড়িয়া থানা অক্রমন করে এবং অস্ত্র নিয়ে যায় সেদিন থানা ম্যাজিস্ট্রেটে মো. হাবিবুল্লাহকে মুক্তিবাহিনী আগেই নিরাপদ জারগায় সরিয়ে নেয়‌। তাঁর লাইসেন্সকৃত দুটি রাইফেল থানা থেকে নিয়ে যেতে মুক্তিবাহিনীকে আগেই জানিয়ে দেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুক্তিবাহিনী সেই অস্ত্র দুটি তাঁকে ফিরিয়ে দেয়।

তিনি চাকুরি জীবনে ময়মনসিংহ ও মুন্সীগঞ্জের মহকুমা প্রশাসক, পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সচিব ভূমি বিভাগ ও মিল্কভিটার ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্বপালন করেন। সরকারিভাবে ইটালিতে উচ্চতর কোর্স সমাপ্তির পর ইটালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে তাঁর একটি বই প্রকাশিত হয়। তাঁর এক মেয়ে ইশরাত নাসিমা হাবিব নোয়াকালির জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং আরেক মেয়ে ইশরাত তানিয়া হাবিব পুবালি ব্যাংকে সহকারী মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।