বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে অবৈধ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির দায়ে ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শাহরাস্তিতে অবৈধ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির দায়ে ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

শাহরাস্তিতে অনুমোদনহীন ও অবৈধ ওষুধ বিক্রির দায়ে ৪টি ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৯ জুন) উপজেলার পৌরশহরের দোয়াভাঙ্গা এবং সরকারি হাসপাতালের সম্মুখভাগের বিভিন্ন ফার্মেসিতে উপজেলা প্রশাসন ও চাঁদপুর ওষুধ প্রশাসন কার্যালয়ের যৌথ অভিযানে এ অর্থদণ্ড প্রধান করে তা আদায় করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা খাতুনের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শাহরাস্তির সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল চাকমা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌরশহরের দোয়াভাঙ্গা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ফার্মেসিগুলোতে যৌথ পরিদর্শনকালে অনুমতিবিহীন ও অবৈধ ওষুধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ‘ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’-এর ৪০(গ) ধারাসহ বিভিন্ন ধারার অপরাধে ৪টি ফার্মেসি মালিককে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।

Model Hospital

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন চাঁদপুর ওষুধ প্রশাসন কার্যালয়ের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক গোলাম মোস্তফা এবং শাহরাস্তি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

এবিষয়ে ​ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা খাতুন বলেন: “জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় ওষুধের গুণগত মান বজায় রাখা অপরিহার্য। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে আজ এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন ও অনুমোদনহীন নকল ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

​সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল চাকমা বলেন: “ওষুধ ও কসমেটিকস আইন অমান্য করে যারা সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আজ অপরাধের ধরুন ৪টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।এদিকে অভিযানের পরও স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও শঙ্কা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রশাসনের এত তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযানের পরও একশ্রেণীর অর্থলোভী দুষ্কৃতিকারী ও অসাধু ব্যবসায়ী চক্র বিভিন্ন মৌসুমকে টার্গেট করে বাজারে নকল ও নিম্নমানের ‘দুই নম্বর’ ওষুধ সরবরাহ করে আসছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের অতি প্রয়োজনীয় চর্মরোগের মলম/ওষুধ, বহুল ব্যবহৃত প্যারাসিটামল, শ্বাসকষ্টের জন্য ব্যবহৃত ‘মোনাস’ এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট দেদারসে বিক্রি করছে তারা। স্থানীয় সচেতন মহল এই অসাধু চক্রের মূল উৎপাটন করতে প্রশাসনের আরও কঠোর ও দূরগামী পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital