বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
শাহরাস্তিতে পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে)।

বুধবার (১০ জুন) শাহরাস্তি শাখা কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ৫ শতাধিক নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

সকাল থেকে শুরু হওয়া এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে মেডিসিন, গাইনি, শিশু, চর্ম ও যৌনরোগ, সার্জারি এবং চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন ডা. ফারজানা আক্তার, ডা. রিফাত উদ্দিন আহমেদ, ডা. মো. সুমন রহমান, ডা. মো. মুহিব সরকার, ডা. মো. তানজিয়া আরাবী, ডা. মো. ইশতিয়াক আহমেদ, ডা. জীম সাগর, ডা. ফারজানা সুলতানা ও ডা. ইসমাইল হোসেন।পিএমকের সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. রাজু হোসেন ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।

Model Hospital

এ সময় শাহরাস্তি শাখার ব্যবস্থাপক সুদীপ কুমার বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক মো. আরিফুল ইসলামসহ সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে মো. রাজু হোসেন বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এখনও অনেক মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় পিএমকে নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শাহরাস্তির এই ক্যাম্পে রোগীদের স্বাস্থ্যপরামর্শ, প্রেসক্রিপশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ, চক্ষু রোগীদের পাওয়ারের চশমা ও চোখের ড্রপ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে।

শাখা ব্যবস্থাপক সুদীপ কুমার বিশ্বাস বলেন, “১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিএমকে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসচেতনতা, চক্ষু চিকিৎসা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ওষুধ বিতরণসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের লক্ষ্য।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা এক নারী উপকারভোগী বলেন, “ভালো চিকিৎসক দেখানো ও ওষুধ কেনা আমাদের জন্য অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ এবং চোখের পরীক্ষার সুযোগ পেয়ে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। অপর এক প্রবীণ সেবাগ্রহীতা বলেন, “একসঙ্গে এতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পাওয়া আমাদের জন্য বড় সুযোগ। চিকিৎসকেরা মনোযোগ দিয়ে রোগের কথা শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে উপকারভোগীরা পিএমকের প্রধান নির্বাহী কামরুন্নাহার, উপ-প্রধান নির্বাহী দেওয়ান ফয়সাল এবং পিএমকে হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা ও হেড অব হেল্থ ডা. কাজী সুদীপ্তা কবিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকরা জানান, সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।