বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক কেএম মাসুদের মায়ের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
সাংবাদিক কেএম মাসুদের মায়ের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

সাংবাদিক কেএম মাসুদের মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদিসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দৈনিক চাঁদপুর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কেএম মাসুদের মা নাজমা খানম (৬৪) আর নেই। তিনি মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত পৌনে ১২টায় চাঁদপুর শহরের রেলওয়ে ক্লাব রোডস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় রেলওয়ে ক্লাব রোড শ্রমিক কলোনি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, চাঁদপুর প্রেসক্লাব, টেলিভিশন ফোরাম ও ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদি, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোস্তফা মাল, চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক মুহাম্মদ খোকন মিয়াজী, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়া প্রধানীয়া, চাঁদপুর জেলা ফটো জানালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ হোসেন অপু চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে রেলওয়ে কবরস্থানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, মরহুমার স্বামী কে. এম. নিজাম ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।