ইমিগ্রেশন প্রশিক্ষণের সেরা সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আবু ফয়সাল
অ্যাডিশনাল ডিআইজি এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (এডমিন) মহোদয় সাব-ইন্সপেক্টর আবু ফয়সালের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) স্কুল অব ইন্টেলিজেন্সে ৪৫ কার্যদিবস মেয়াদী ‘১৮৯তম বেসিক ইমিগ্রেশন কোর্স’এ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ আবু ফয়সাল। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে ইমিগ্রেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য এ কোর্সটি সম্পন্ন করা আবশ্যক। উক্ত কোর্সে লিখিত, ব্যবহারিক, মৌখিক, এক্সটেম্পোর স্পিচ (তাৎক্ষণিক বক্তৃতা) ও প্রেজেন্টেশনসহ সকল মূল্যায়নে ১ম স্থান অধিকার করে তিনি বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার ১১ জুন ঢাকার উত্তরা অবস্থিত স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স এসবি কার্যালয়ে কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে স্কুল অব ইন্টেলিজেন্সের সম্মানিত অ্যাডিশনাল ডিআইজি এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (এডমিন) মহোদয় সাব-ইন্সপেক্টর আবু ফয়সালের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

এই সাফল্যে এসআই ফয়সাল বলেন, এই অর্জন আমার পেশাগত জীবনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। একই সঙ্গে স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, শ্রদ্ধেয় প্রশিক্ষকবৃন্দ, অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থী ও স্টাফদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই, যাঁদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা ছাড়া এই সাফল্য অর্জন সম্ভব ছিল না। আমি দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে আরও নিবেদিত রাখতে সকলের দোয়া ও শুভকামনা প্রত্যাশী।

পেশাগত জীবনে সাব ইন্সপেক্টর মোঃ আবু ফয়সাল অত্যন্ত দক্ষ ও সাহসী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। এর আগে চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি অসামান্য কর্মদক্ষতার পরিচয় দেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তিনি ‘চাঁদপুরের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে একাধিক ভিকটিমকে সফলভাবে উদ্ধার করে তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত হন এবং এখনো স্থানীয় জনসাধারণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের শোলাপুকুরিয়া গ্রামের সন্তান সাব ইন্সপেক্টর ফয়সালের পিতা মৃত আবদুল মতিন ছিলেন একজন আদর্শবান শিক্ষক। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ হতে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী এই মেধাবী কর্মকর্তা ২০১৯ সালে ৩৭তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। রাজশাহী সারদায় এক বছর মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ২০২০ সালে তিনি চাঁদপুর জেলায় কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।





