বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইমিগ্রেশন প্রশিক্ষণের সেরা সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আবু ফয়সাল

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
ইমিগ্রেশন প্রশিক্ষণের সেরা সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আবু ফয়সাল

অ্যাডিশনাল ডিআইজি এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (এডমিন) মহোদয় সাব-ইন্সপেক্টর আবু ফয়সালের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

​বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) স্কুল অব ইন্টেলিজেন্সে ৪৫ কার্যদিবস মেয়াদী ‘১৮৯তম বেসিক ইমিগ্রেশন কোর্স’এ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ আবু ফয়সাল। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে ইমিগ্রেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য এ কোর্সটি সম্পন্ন করা আবশ্যক। উক্ত কোর্সে লিখিত, ব্যবহারিক, মৌখিক, এক্সটেম্পোর স্পিচ (তাৎক্ষণিক বক্তৃতা) ও প্রেজেন্টেশনসহ সকল মূল্যায়নে ১ম স্থান অধিকার করে তিনি বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার ​১১ জুন ঢাকার উত্তরা অবস্থিত স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স এসবি কার্যালয়ে কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে স্কুল অব ইন্টেলিজেন্সের সম্মানিত অ্যাডিশনাল ডিআইজি এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (এডমিন) মহোদয় সাব-ইন্সপেক্টর আবু ফয়সালের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

​এই সাফল্যে এসআই ফয়সাল বলেন,  এই অর্জন আমার পেশাগত জীবনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। একই সঙ্গে স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, শ্রদ্ধেয় প্রশিক্ষকবৃন্দ, অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থী ও স্টাফদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই, যাঁদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা ছাড়া এই সাফল্য অর্জন সম্ভব ছিল না। আমি দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে আরও নিবেদিত রাখতে সকলের দোয়া ও শুভকামনা প্রত্যাশী।

​পেশাগত জীবনে সাব ইন্সপেক্টর মোঃ আবু  ফয়সাল অত্যন্ত দক্ষ ও সাহসী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। এর আগে চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি অসামান্য কর্মদক্ষতার পরিচয় দেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তিনি ‘চাঁদপুরের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে একাধিক ভিকটিমকে সফলভাবে উদ্ধার করে তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত হন এবং এখনো স্থানীয় জনসাধারণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

Model Hospital

​উল্লেখ্য, কুমিল্লা জেলার  বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের শোলাপুকুরিয়া গ্রামের সন্তান সাব ইন্সপেক্টর ফয়সালের পিতা মৃত আবদুল মতিন ছিলেন একজন আদর্শবান শিক্ষক। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ হতে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী এই মেধাবী কর্মকর্তা ২০১৯ সালে ৩৭তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। রাজশাহী সারদায় এক বছর মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ২০২০ সালে তিনি চাঁদপুর জেলায় কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital