বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
হাজীগঞ্জে পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি (পিএমকে)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাজীগঞ্জ শাখা কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ৫ শতাধিক নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে মেডিসিন, গাইনি, শিশু, চর্ম ও যৌনরোগ, সার্জারি এবং চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন ডা. মো. মুহিব সরকার, ডা. মো. ইশতিয়াক আহমেদ, ডা. জীম সাগর ও ডা. ইসমাইল হোসেন।
পিএমকের হাজীগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক মো. কবির হোসেন ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।
এ সময় হিসাবরক্ষক রনি সাহা, কর্মকর্তা মো. মান্নান, সজল চন্দ, আরাফাত, দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী বক্তব্যে মো. কবির হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক মানুষ এখনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় পিএমকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের পাশাপাশি ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষু চিকিৎসা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ওষুধ বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে।ক্যাম্পে রোগীদের স্বাস্থ্যপরামর্শ, প্রেসক্রিপশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ, চক্ষু রোগীদের পাওয়ারযুক্ত চশমা ও চোখের ড্রপ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা উপকারভোগীরা জানান, বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, ওষুধ ও চক্ষুসেবা পাওয়ায় তারা উপকৃত হয়েছেন। বিশেষ করে একসঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পাওয়াকে তারা বিরল সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে উপকারভোগীরা পিএমকের প্রধান নির্বাহী কামরুন্নাহার, উপ-প্রধান নির্বাহী দেওয়ান ফয়সাল এবং পিএমকে হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা ও হেড অব হেল্থ ডা. কাজী সুদীপ্তা কবিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।