চাঁদপুরে ‘ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে ‘ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত।

ডিজিটাল যুগে মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁদপুরে ‘ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি’ প্রকল্পের আওতায় একটি কর্মশালা ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার, ১২ জুন সকালে চাঁদপুর শহরের ‘বার্গার ওভারলোডেড’ রেস্টুরেন্টে এই প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ এই আয়োজনের দায়িত্বে ছিল।

এই বিশেষ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং সামগ্রিক পরিচালনায় ও কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ডিজিটাল অধিকার এবং অনলাইন সুরক্ষার প্রসারে তরুণ সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ জুড়ে মোট ৮টি নারী অধিকার সংস্থা (WRO) এই ‘স্বাধীনতা’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

এবারের ওরিয়েন্টেশনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের প্রায় ৩০ জন তরুণ-তরুণী ও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে যৌথভাবে সেশন পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ট্রেইনার আতিক মোহাম্মদ রাহাদ ও মাহমুদা আক্তার।
দিনব্যাপী এই সেশনে প্রশিক্ষকদ্বয় ডিজিটাল নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ফ্যাক্ট চেকিং, এবং দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। কর্মশালার মূল আলোচনার

বিষয়বস্তুগুলো ছিল: তথ্য যাচাইকরণ: ভুল তথ্য (Misinformation), অপতথ্য (Disinformation) এবং বিদ্বেষপ্রবণ তথ্য (Hate Speech) সম্পর্কে মৌলিক ধারণা ও ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণের উপায়।
অনলাইন নিরাপত্তা: ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার নিরাপদ ব্যবহার, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল আচরণ।
সহিংসতা প্রতিরোধ: প্রযুক্তি নির্ভর জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা বা TFGBV (Technology Facilitated Gender-Based Violence) প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি।
প্রোগ্রামটিতে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা ও বাস্তব উদাহরণের পাশাপাশি বিভিন্ন টিমওয়ার্কভিত্তিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়; যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার দক্ষতা বৃদ্ধিতে দারুণ সহায়তা করে।
আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ, সচেতন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





