মেয়ের এসএসসির বই থেকে বাড়ির দলিল সবই পুড়ল আগুনে
হাজীগঞ্জের টোরাগড়ে ভয়াবহ আগুনে অটোরিকশা চালকের বসতঘর পুড়ে ছাই
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টোরাগড় গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পাশের আরেকটি টিনশেড ভবনের একটি কক্ষ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, টোরাগড় গ্রামের লালু সওদাগর বাড়ির অটোরিকশা চালক মো. জাবেদ মিয়ার চার কক্ষবিশিষ্ট বসতঘর, বারান্দা ও পাকঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, ফার্নিচার, একটি ফ্রিজ, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র এবং তার মেয়ের এসএসসি পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বইপত্র ভস্মীভূত হয়।

এদিকে পাশের বাড়ির বড় ভাই মো. ফারুক মিয়ার টিনশেড ভবনের প্রথম কক্ষের কিছু আসবাবপত্রও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফারুক মিয়ার দাবি, বিদেশে থাকা ছেলের পাঠানো ৩ লাখ ৭২ হাজার টাকাও আগুনে পুড়ে গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাজীগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান সেলিম, হাজীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহির আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দেখতে পান আগুন ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মো. জাবেদ মিয়া বলেন, “আমার থাকার একমাত্র ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিলে তিলে গড়া সবকিছু হারিয়েছি। প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কোথায় থাকব, বুঝতে পারছি না।”
তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানান।
এ সময় হাজীগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান সেলিম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সাধ্যমতো সহযোগিতার আশ্বাস দেন।





