বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের আলোচনা সভা

বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার।

শনিবার ১৩ জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন সামাজিক সংগঠন ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর ও ওয়েলফেয়ার এন্ড এম্পাওয়ারমেন্ট ফাউন্ডেশন(ওয়েফ)-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর রোটারিয়ান অ্যাড. আলেয়া বেগম লাকী। তিনি বলেন, সোমেন চন্দের মতো গুণী লেখককে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। তিনি কতটা শক্তিশালী লেখক হলে মৃত্যুর প্রায় সুদীর্ঘ ৮৫ বছর পরও আমরা তাকে স্মরণ করছি আজ।

অনুষ্ঠান কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইরিন সুলতানা লিমা, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী সদস্য নাজুমল ইসলাম, শিক্ষক মানসুরা বেগম আছমা, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন জীবন, সাহিত্যানুরাগী আকবর হোসেন লিটন, লিজা ইসলাম জুজু, মনির হোসেন খান।

Model Hospital

বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলাসাহিত্যের কালোর্ত্তীণ একজন কথাসাহিত্যিকের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আজ থেকে প্রায় ৮৫ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়। এতো বছর পরেও বাংলাসাহিত্যের পাঠক তাঁকে মনে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ^সাহিত্যের ক্ষণকালীন প্রজাপতি জন কীটস, ফ্রানৎস কাফকার কিংবা বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো কথাশিল্পী সোমেন চন্দও অল্প কিছুদিন পৃথিবীর আলো-বাতাসে থেকে অমরত্বের সাধ গ্রহণ করেছেন নিজের সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে। নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ ‘শঙ্খনীল কারাগারে’ গ্রন্থে স্বীকার করেছেন তিনি সোমেন চন্দের লেখা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বইটি লিখেছেন। যাকে হুমায়ূন আহমেদ অনুসরণ করেছেন তিনি কতটা মহান লেখক হতে পারে সেটা একটু চিন্তা করলেই আমরা অনুধাবন করতে পারি।

অনুষ্ঠানে ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।

সব শেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital