মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের আলোচনা সভা

বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার।

শনিবার ১৩ জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন সামাজিক সংগঠন ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর ও ওয়েলফেয়ার এন্ড এম্পাওয়ারমেন্ট ফাউন্ডেশন(ওয়েফ)-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর রোটারিয়ান অ্যাড. আলেয়া বেগম লাকী। তিনি বলেন, সোমেন চন্দের মতো গুণী লেখককে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। তিনি কতটা শক্তিশালী লেখক হলে মৃত্যুর প্রায় সুদীর্ঘ ৮৫ বছর পরও আমরা তাকে স্মরণ করছি আজ।

অনুষ্ঠান কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইরিন সুলতানা লিমা, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী সদস্য নাজুমল ইসলাম, শিক্ষক মানসুরা বেগম আছমা, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন জীবন, সাহিত্যানুরাগী আকবর হোসেন লিটন, লিজা ইসলাম জুজু, মনির হোসেন খান।

Model Hospital

বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলাসাহিত্যের কালোর্ত্তীণ একজন কথাসাহিত্যিকের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আজ থেকে প্রায় ৮৫ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়। এতো বছর পরেও বাংলাসাহিত্যের পাঠক তাঁকে মনে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ^সাহিত্যের ক্ষণকালীন প্রজাপতি জন কীটস, ফ্রানৎস কাফকার কিংবা বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো কথাশিল্পী সোমেন চন্দও অল্প কিছুদিন পৃথিবীর আলো-বাতাসে থেকে অমরত্বের সাধ গ্রহণ করেছেন নিজের সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে। নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ ‘শঙ্খনীল কারাগারে’ গ্রন্থে স্বীকার করেছেন তিনি সোমেন চন্দের লেখা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বইটি লিখেছেন। যাকে হুমায়ূন আহমেদ অনুসরণ করেছেন তিনি কতটা মহান লেখক হতে পারে সেটা একটু চিন্তা করলেই আমরা অনুধাবন করতে পারি।

অনুষ্ঠানে ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।

সব শেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”